অর্ডার থেকে ডেলিভারি — কাস্টমারের ফোনে SMS/WhatsApp স্ট্যাটাস নিজে থেকে যায়, n8n অটোমেশন

এই সার্ভিস সম্পর্কে
অর্ডার এলে কনফার্মেশন, কুরিয়ারে উঠলে ট্র্যাকিং, পৌঁছালে ধন্যবাদ — কাস্টমারের ফোনে SMS বা WhatsApp-এ নিজে থেকেই যায়, n8n দিয়ে; একটা মেসেজও হাতে লিখতে হয় না। অর্ডারের পর কাস্টমারের সবচেয়ে চেনা প্রশ্ন: “ভাই, জিনিসটা কোথায়?” আর যে জানেই না প্যাকেট আজ আসছে, সে ফোন ধরে না, পার্সেল ফেরত যায়, রিটার্ন-চার্জ আপনার। ◆ কী করে দিই আপনার অর্ডার যেখানে জমা হয় — WooCommerce/Shopify, Google Sheet বা মেসেঞ্জার-বট — সেটাকে n8n-এ বাঁধি। প্রতিটা ধাপে কাস্টমারের কাছে মেসেজ যায়: অর্ডার পেয়েছি; কুরিয়ারে বুক হয়েছে (ট্র্যাকিং আইডি); আজ ডেলিভারি (কত টাকা রেডি রাখবেন); পৌঁছে গেছে। স্ট্যান্ডার্ড আর প্রিমিয়ামে, ডেলিভারি না হলে বা ফেরত গেলে খবর যায় আপনাকে। স্ট্যাটাস আসে কুরিয়ারের API থেকে (Steadfast, Pathao, RedX) বা আপনার শিটের একটা কলাম বদলালে। সব কুরিয়ার সব ধাপ API-তে জানায় না — যেমন Steadfast-এর API “আজ ডেলিভারি” ধাপটা দেয় না; আপনার কুরিয়ার কোন ধাপ দেয়, অর্ডারের আগে চ্যাটে কুরিয়ারের নাম লিখলে বলে দিই, আর যে ধাপ API-তে নেই সেটা শিটের কলাম থেকে চলে। পুরোটা নিয়মে চলে, AI-তে না; কোন স্ট্যাটাসে কী মেসেজ, আগে থেকেই লেখা আর আপনার অনুমোদিত। ◆ তিনটা প্যাকেজ বেসিক — একটা অর্ডার-সোর্স, তিনটা স্ট্যাটাস, SMS-এ; শিটে বা Woo/Shopify-র অর্ডারে স্ট্যাটাস বদলালেই মেসেজ যায়, কুরিয়ার-API লাগে না। স্ট্যান্ডার্ড — কুরিয়ারের API থেকে স্ট্যাটাস নিজে আসে, পাঁচটা ধাপ, রাজি কাস্টমারকে WhatsApp-এ আগে, বাকিদের বা না পৌঁছালে SMS, ব্যর্থ ডেলিভারিতে আপনাকে অ্যালার্ট। প্রিমিয়াম — n8n থেকেই কুরিয়ারে বুকিং, দুটো অর্ডার-সোর্স ও দুটো কুরিয়ার, পেমেন্ট এলে “টাকা পেয়েছি” মেসেজ, ফেরত পার্সেলে WhatsApp-এ কাস্টমারকে “আবার পাঠাব?” জিজ্ঞেস, উত্তর আপনার শিটে, আর রোজ সকালে আপনাকে এক লাইনের হিসাব। ◆ কীসে চলে, খরচ কার নামে চারটা জিনিস, সবই আপনার নামে: একটা n8n (প্রিমিয়ামে বসানোটা আমরাই করে দিই); একটা SMS গেটওয়ে অ্যাকাউন্ট, প্রতি SMS-এর দাম আপনি সরাসরি দেন; WhatsApp চাইলে Meta-র WhatsApp Business API, মেসেজ-প্রতি Meta-র ফি; আর কুরিয়ারের মার্চেন্ট API key। এগুলো আমাদের ফি-র বাইরে আর ইচ্ছাকৃতভাবে আপনার নামে, যাতে কাল আমাদের সাথে কাজ না করলেও সিস্টেমটা আপনার হাতেই থাকে। কত পড়বে, অর্ডারের পর প্রথম মেসেজেই লিখে দিই। ◆ কাদের জন্য ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইট থেকে দিনে অন্তত পাঁচটা অর্ডার পাঠান এমন যে কেউ — কাপড়, কসমেটিকস, গ্যাজেট, বই, হোমমেড পণ্য। দিনে পাঁচটার কম অর্ডার হলে এখন নেবেন না — তখন হাতে মেসেজ লেখাই সস্তা। “ই-কমার্স অর্ডার বট” বা “WhatsApp Business চ্যাটবট” আলাদা গিগ — ওরা চ্যাটে অর্ডার নেয়, আর কাস্টমার “পার্সেল কোথায়” লিখলে তখন উত্তর দেয়। এই গিগ উল্টো দিক থেকে কাজ করে: কাস্টমার কিছু জিজ্ঞেস না করলেও কুরিয়ারে স্ট্যাটাস বদলানো মাত্র তার ফোনে নিজে থেকে খবর যায় — যে কাস্টমার কখনো মেসেজ করেনি, তার কাছেও। দুটো একসাথে চলে; বট থাকলে যে শিটে সে অর্ডার লেখে, সেটাই এখানে অর্ডার-সোর্স। ◆ যা সৎভাবে বলে রাখা দরকার কুরিয়ার যা বলে, সিস্টেম সেটাই পাঠায়; “ডেলিভার্ড” লেখা কিন্তু কাস্টমার পায়নি — এটা সিস্টেম নিজে ধরতে পারে না, তাই প্রতিটা মেসেজে আপনার যোগাযোগের নম্বর থাকে, যাতে কাস্টমার সরাসরি আপনাকে জানাতে পারেন। WhatsApp-এ অর্ডার-আপডেট Meta-র অনুমোদিত টেমপ্লেটে যায়, প্রোমো যায় না — এটা পুরোনো কাস্টমারকে অফার পাঠানোর যন্ত্র নয়। আর WhatsApp-এ মেসেজ যায় শুধু সেই কাস্টমারকে, যিনি অর্ডারের সময় জেনে রাজি হয়েছেন — তাই অর্ডার-ফর্ম বা চেকআউটে একটা লাইন বসাই: “অর্ডারের আপডেট WhatsApp-এ পেতে রাজি”; মেসেঞ্জারে বা ফোনে অর্ডার নিলে শিটের একটা কলামে “রাজি” লিখে রাখবেন; যিনি রাজি নন, তার কাছে SMS যায়। SMS-এ একটা বাংলা অক্ষর ঢুকলেই মেসেজ দুই-তিন সেগমেন্ট হয়, দাম সেই হারে বাড়ে; তাই SMS ইংরেজি হরফে, বাংলা যায় WhatsApp-এ। রাত দশটা থেকে সকাল আটটা পর্যন্ত কোনো মেসেজ যায় না — জমে থাকে, সকালে যায়। WhatsApp-এ কাস্টমার “STOP” লিখলে নিজে থেকেই বন্ধ হয়; SMS-এ উত্তর আসে না (এদেশের সাধারণ SMS গেটওয়ে এক-মুখী), তাই কেউ ফোনে বা মেসেঞ্জারে বন্ধ করতে বললে শিটের বন্ধ-তালিকায় নম্বরটা দেবেন, সেই নম্বরে আর কিছু যায় না। সিস্টেম টাকা দেখে, ছোঁয় না — গেটওয়ে খবর দিলে পেমেন্ট এসেছে কি না পড়ে, নিজে নেয়-দেয়-ফেরত দেয় না। ফেরত কতটা কমবে, কথা দিই না — কাস্টমার ফোন না ধরার কারণ অনেক; প্রিমিয়ামের মাসিক রিপোর্টে ফেরতের হার মাপা থাকে। ◆ কীভাবে এগোবে অর্ডারের পর জেনে নিই অর্ডার কোথায় জমা হয়, কোন কুরিয়ার, আর এখন হাতে কী লেখেন। প্রতিটা স্ট্যাটাসের মেসেজ লিখে দেখাই — আপনি ঠিক করার পরেই বানানো শুরু। তারপর বানানো, আপনার নম্বরে টেস্ট অর্ডার, লাইভ, আর স্ক্রিন শেয়ারে দেখানো কোথায় লেখা বদলাবেন — SMS-এর লেখা সাথে সাথে বদলায়, WhatsApp-এর লেখা বদলালে Meta-র কাছে আবার অনুমোদন লাগে।
দেরিতে উত্তর দিলে মাসে কত টাকা হারাচ্ছেন?আপনার মেসেজ-সংখ্যা আর উত্তরের দেরি দিলে হিসাবটা দেখে নিন — ফ্রি, সাইনআপ ছাড়া।সাধারণ জিজ্ঞাসা
সিস্টেম কি নিজে থেকে টাকা নেবে বা ফেরত দেবে?
না, আর এটা ইচ্ছাকৃত। bKash মার্চেন্ট গেটওয়ে বা SSLCommerz — এই দরজাগুলো সিস্টেম দেখে, ছোঁয় না: পেমেন্ট এসেছে কি না পড়তে পারে আর সেই অনুযায়ী “টাকা পেয়েছি” মেসেজ পাঠাতে পারে (পার্সোনাল bKash নম্বর বা ব্যাংকে টাকা এলে সেই খবর সিস্টেম পায় না, তখন আপনি শিটে “পেইড” লিখলেই মেসেজ যায়), কিন্তু নিজে টাকা নেওয়া, দেওয়া বা রিফান্ড করা তার নাগালের বাইরে রাখা থাকে। রিফান্ড লাগলে সিস্টেম আপনাকে জানায়, আপনি অনুমোদন করেন, টাকা যায় আপনার নিজের গেটওয়ে থেকে। কাস্টমারের টাকা আমাদের হাত দিয়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই।
আমাকে কী কী দিতে হবে?
পাঁচটা জিনিস: অর্ডার যেখানে জমা হয় তার অ্যাক্সেস (Google Sheet-এর এডিট, বা WooCommerce/Shopify-এর অ্যাডমিন); একটা n8n — না থাকলে দুই রাস্তা: অ্যাড-অন থেকে “আপনার নিজের সার্ভারে n8n সেটআপ” নিন (প্রিমিয়ামে এটা অন্তর্ভুক্ত), অথবা n8n ক্লাউডে নিজের নামে অ্যাকাউন্ট খুলুন, ধাপগুলো দেখিয়ে দিই; স্ট্যান্ডার্ড বা প্রিমিয়াম নিলে আপনার কুরিয়ারের মার্চেন্ট প্যানেলের API key; একটা SMS গেটওয়ে অ্যাকাউন্ট — না থাকলে কোনটা খুলবেন বলে দিই; আর কাস্টমারকে এখন হাতে যা লেখেন তার কয়েকটা স্ক্রিনশট। WhatsApp চাইলে Meta-র WhatsApp Business অ্যাকাউন্ট লাগবে — না থাকলে কীভাবে খুলবেন ধাপে ধাপে বলে দিই, আর Meta-র মেসেজ-ফি কাটার জন্য সেই অ্যাকাউন্টে আন্তর্জাতিক লেনদেন চালু একটা কার্ড যোগ করতে হয়। WhatsApp নিলে অর্ডার-ফর্ম বা চেকআউটে সম্মতির একটা লাইন বসানোর অ্যাক্সেসও লাগবে, কারণ Meta-র নিয়মে রাজি না হওয়া কাস্টমারকে WhatsApp-এ মেসেজ পাঠানো যায় না। মেসেজের লেখা গুছিয়ে দিতে না পারলে চিন্তা নেই, আমরা লিখে দেখাই, আপনি শুধু ঠিক করেন।
কত সময় লাগবে?
বেসিক ৩ দিন, স্ট্যান্ডার্ড ৫ দিন, প্রিমিয়াম ৭ দিন। অর্ডার পেজের কাউন্টডাউন পেমেন্টের সময় থেকে চলে; আমাদের শর্ত অনুযায়ী আসল হিসাব শুরু হয় দরকারি অ্যাক্সেস হাতে পাওয়ার দিন থেকে, আর মেসেজের খসড়া প্রথম দিনেই পাঠাই — আপনার অনুমোদনে যত দেরি, ডেলিভারিও তত পেছায়। তিনটা জিনিস আমাদের হাতে নেই: কুরিয়ার কোম্পানি API key দিতে কখনো দু-এক দিন নেয়; SMS-এ নম্বরের বদলে ব্র্যান্ডের নাম দেখাতে চাইলে সেই নাম রেজিস্ট্রেশনে গেটওয়ে সাধারণত কয়েক কার্যদিবস নেয়; আর WhatsApp-এর টেমপ্লেট Meta অনুমোদন করতে সাধারণত কয়েক ঘণ্টা থেকে এক দিন। এগুলো অর্ডারের দিনই চালু করে দিলে বাকিটা দ্রুত হয়। WhatsApp অ্যাকাউন্ট একদম নতুন হলে Meta-র ব্যবসা-যাচাইয়ে কয়েক দিন লাগতে পারে — তখন আগে SMS দিয়ে লাইভ করি, WhatsApp যুক্ত হয় অনুমোদনের পর, ডেলিভারি সেখানে আটকে থাকে না। তাড়া থাকলে দ্রুত ডেলিভারির অপশন নিন — সেটার দিনও একই নিয়মে গোনা হয়।
রিভিশনে কী কী পাল্টানো যায়?
মেসেজের লেখা, কোন স্ট্যাটাসে কোন মেসেজ যাবে সেই ম্যাপিং, পাঠানোর সময় (যেমন রাতের বিরতি কখন থেকে), আর WhatsApp-SMS-এর অগ্রাধিকার — এগুলো রিভিশনের মধ্যে। WhatsApp-এর লেখা বদলানো মানে Meta-র কাছে নতুন করে অনুমোদন, সেই অপেক্ষাটুকু যোগ হয়। নতুন অর্ডার-সোর্স বা নতুন কুরিয়ার যোগ করা রিভিশন নয়, সেটা অ্যাড-অন। আর ডেলিভারির পর সাপোর্টের দিনগুলোতে আসল অর্ডার দেখে টিউন করা রিভিশনে গোনা হয় না; ওটা প্যাকেজেই ধরা, আর ওখানেই সিস্টেমটা আসলে ভালো হয়।
আপনাদের ফি-র বাইরে মাসে কী খরচ পড়বে?
তিন জায়গায়, তিনটাই আপনার নিজের নামে: SMS গেটওয়েতে প্রতি মেসেজের দাম, যেটা আপনি প্রোভাইডারকে সরাসরি দেন; WhatsApp Business API নিলে Meta-র মেসেজ-প্রতি ফি; আর n8n — নিজের সার্ভারে চালালে সার্ভারের মাসিক ভাড়া, n8n ক্লাউডে তাদের প্ল্যানের দাম; ক্লাউড প্ল্যানে মাসে কতবার ওয়ার্কফ্লো চলতে পারবে তার সীমা থাকে, আর কুরিয়ারের প্রতিটা স্ট্যাটাস-বদলে একবার চলে, তাই দিনে অর্ডার বেশি হলে বড় প্ল্যান বা নিজের সার্ভার লাগতে পারে। কুরিয়ারের API সাধারণত মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের সাথে বিনা খরচে আসে। এই সিস্টেমে AI নেই বলে AI-র কোনো বিল নেই। অর্ডারের পর আপনার দিনের অর্ডার-সংখ্যা ধরে মাসে কত পড়বে, হিসাব করে দেখাই।
WhatsApp-এ কি সব স্ট্যাটাস যাবে, নাকি SMS-ই লাগবে?
দুটোই রাখি। Meta-র নিয়মে অর্ডার-আপডেটের মতো কাজের মেসেজ তাদের অনুমোদিত টেমপ্লেটে পাঠানো যায় — তবে শুধু সেই কাস্টমারকে, যিনি আপনার কাছ থেকে WhatsApp-এ মেসেজ পেতে রাজি হয়েছেন। আর যিনি রাজি হননি, কিংবা WhatsApp-এ নেই বা মেসেজ পৌঁছায়নি, তাঁর জন্য একটা বিকল্প রাস্তা লাগে — তাই স্ট্যান্ডার্ড আর প্রিমিয়ামে নিয়ম: রাজি কাস্টমারকে WhatsApp-এ আগে, বাকিদের ও না পৌঁছালে SMS। বেসিকে শুধু SMS। আর একটা কথা পরিষ্কার: এই টেমপ্লেট-অনুমতি শুধু অর্ডারের খবরের জন্য; পুরোনো কাস্টমারদের অফার পাঠাতে এটা ব্যবহার করলে Meta নম্বরটাই বন্ধ করে দিতে পারে, তাই সেটা আমরা বানাই না।
SMS বাংলায় যাবে?
যাবে, কিন্তু আগে হিসাবটা জানুন: ইংরেজি হরফে এক SMS ১৬০ অক্ষর, আর একটা বাংলা অক্ষর ঢুকলেই ইউনিকোডে সেটা নেমে আসে সত্তরের কাছাকাছি — মানে একই মেসেজ দুই-তিন সেগমেন্ট, দামও সেই হারে। কাস্টমারের নাম বাংলায় বসালেই এটা ঘটে। টাকার চিহ্ন ৳ বা একটা ইমোজি ঢুকলেও একই ঘটে, তাই SMS-এ টাকা লিখি Tk দিয়ে। সেজন্য আমাদের ডিফল্ট: SMS-এর বডি ইংরেজি হরফে, আর বাংলা যায় WhatsApp-এ, যেখানে অক্ষরের এই হিসাব নেই। আপনি বাংলা SMS-ই চাইলে করে দিই, খরচটা জেনে সিদ্ধান্ত নেবেন।
কুরিয়ার ভুল বা দেরিতে স্ট্যাটাস দিলে?
সিস্টেম কুরিয়ার যা বলে তার বাইরে কিছু জানে না। কুরিয়ার “ডেলিভার্ড” লিখলেও কাস্টমার পায়নি, বা প্যানেলে স্ট্যাটাস ছয় ঘণ্টা পরে বদলায় — এসব হয়, আর অটোমেশন সেটা সারাতে পারে না। যা করতে পারে (স্ট্যান্ডার্ড আর প্রিমিয়ামে): ব্যর্থ ডেলিভারি, ফেরত, বা দুই দিন একই স্ট্যাটাসে আটকে থাকা অর্ডার আপনাকে অ্যালার্ট করা, যাতে কাস্টমার ফোন করার আগে আপনি জানেন। কাস্টমারের সাথে তর্ক বা অনুমান কোনোটাই সিস্টেম করে না; কুরিয়ারের ভুল স্ট্যাটাস সে নিজে চিনতে পারে না, তাই প্রতিটা মেসেজে আপনার নম্বর থাকে।
কাদের এটা এখন না নেওয়াই ভালো?
দিনে পাঁচটার কম অর্ডার হলে হাতে মেসেজ লেখাই সস্তা — আগে অর্ডার বাড়ানোর দিকে খরচ করুন। যে কুরিয়ারের API নেই, আর আপনি শিটে স্ট্যাটাস আপডেট করতেও রাজি নন, তাহলে সিস্টেমের কাছে খবর পৌঁছাবেই না। আর আসল চাওয়া যদি হয় পুরোনো কাস্টমারদের ঢালাও অফার পাঠানো, তাহলে এটা ভুল গিগ — এটা অর্ডারের খবর দেয়, প্রোমো পাঠায় না। অর্ডারের আগে চ্যাটে লিখুন দিনে কত অর্ডার আর কোন কুরিয়ার; লাগবে কি লাগবে না, সোজা বলে দেব।




