ফেসবুক মেসেঞ্জারে ২৪/৭ AI চ্যাটবট — n8n দিয়ে সেটআপ করে দেব

About this service
ফেসবুক পেজের মেসেঞ্জারে ২৪/৭ কাজ করা একটা AI চ্যাটবট — n8n দিয়ে বানিয়ে, আপনার পেজে বসিয়ে, চালু করে দিয়ে যাই। প্রশ্নের উত্তর, লিড সংগ্রহ, আর অর্ডার নেওয়া। রাত দুইটায় কেউ আপনার পেজে দাম জিজ্ঞেস করে। সকালে আপনি উত্তর দেন। ততক্ষণে সে অন্য পেজ থেকে কিনে ফেলেছে। ফেসবুক পেজে বিক্রি হারানোর সবচেয়ে সাধারণ কারণ এটাই — পণ্য খারাপ বলে নয়, উত্তর দেরিতে বলে। বটটা ঐ ফাঁকটা বন্ধ করে। প্রশ্ন এলে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর যায়, নাম-নম্বর নেওয়া হয়, আর যেটা সে সামলাতে পারে না সেটা আপনার হাতে তুলে দেয়। ◆ কী করে দিই আপনার পেজের ফ্লো ধরে ধরে সাজাই — কেউ কী লিখলে কী উত্তর যাবে, কখন দাম বলবে, কখন নাম-নম্বর চাইবে, কখন থামবে। তারপর n8n-এ ওয়ার্কফ্লো বানিয়ে আপনার ফেসবুক পেজের সাথে যুক্ত করি, নিজে টেস্ট করি, আর আপনাকে দেখিয়ে দিয়ে হ্যান্ডওভার করি। ডেলিভারির দিন থেকেই এটা আপনার পেজে চলতে থাকে। ◆ n8n কেন n8n একটা ওপেন ওয়ার্কফ্লো টুল — মানে বটটা কোনো বন্ধ প্ল্যাটফর্মে আটকা থাকে না। যে ফ্লোটা আমরা বানাই সেটা আপনার; চাইলে রপ্তানি করে নিতে পারবেন, অন্য কাউকে দিয়ে বদলাতে পারবেন, আর মাসে মাসে কোনো কোম্পানিকে বটের ভাড়া দিতে হয় না। এই কারণেই আমরা সাবস্ক্রিপশন-ভিত্তিক বট টুলের বদলে n8n ব্যবহার করি। ◆ ২৪/৭ মানে ঠিক কী বট নিজে সবসময় জেগে থাকে, ছুটি নেয় না। কিন্তু ফেসবুকের একটা নিয়ম আছে যেটা আমরা বদলাতে পারি না: কেউ আপনাকে মেসেজ করার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে যা খুশি পাঠানো যায়, তার পরে আর ইচ্ছেমতো প্রোমো পাঠানো যায় না। তাই এই বট কথোপকথনের উত্তর দিতে দুর্দান্ত, কিন্তু পুরোনো কাস্টমারের কাছে ঢালাও প্রোমোশনাল মেসেজ পাঠানোর যন্ত্র এটা নয় — ওটা ফেসবুকের নীতিতেই আটকানো। ◆ চলতে কী কী লাগবে তিনটা জিনিস, আর তিনটাই আপনার নিজের নামে থাকা ভালো। এক, একটা n8n — আপনার নিজের সার্ভারে বা n8n ক্লাউডে; না থাকলে আমরা সেটআপ করে দিতে পারি। দুই, আপনার ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন অ্যাক্সেস, যাতে বটটা যুক্ত করা যায়। তিন, AI দিয়ে উত্তর দিতে চাইলে একটা AI API কি — ব্যবহার অনুযায়ী বিল হয়, ছোট পেজে সাধারণত মাসে অল্পই। এই খরচগুলো আমাদের ফি-র বাইরে আর সরাসরি আপনার নামে থাকে — এটা ইচ্ছাকৃত, যাতে কাল আমাদের সাথে কাজ না করলেও বটটা আপনার হাতেই থাকে। কোথায় কত খরচ পড়বে, অর্ডারের পর প্রথম মেসেজেই পরিষ্কার করে লিখে দিই। ◆ কাদের জন্য ফেসবুকে বিক্রি করেন এমন যেকোনো পেজ — কাপড়, গ্যাজেট, খাবার, কসমেটিকস; ক্লিনিক, পার্লার, জিম বা কোচিং যেখানে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগে; কোর্স বা সার্ভিস যেখানে আগে দাম আর প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়; আর যেকোনো পেজ যেখানে দিনে গোটা বিশেক মেসেজ আসে আর তার বেশিরভাগই একই প্রশ্ন। ◆ যা সৎভাবে বলে রাখা দরকার বট মানুষের বিকল্প না। এটা বারবার আসা প্রশ্নগুলো সামলায় আর জটিল কথোপকথন আপনার হাতে দিয়ে দেয় — আমরা প্রতিটা ফ্লোতেই “মানুষের সাথে কথা বলুন” রাস্তাটা রাখি, কারণ যে বট কাস্টমারকে আটকে রাখে সেটা বিক্রি বাড়ায় না, কমায়। ফেসবুক তার নিয়ম মাঝেমধ্যেই বদলায়, আর সেটা কারও নিয়ন্ত্রণে নেই। আমরা যা করি তা হলো নিয়মের ভেতরে থেকে বানানো, যাতে হঠাৎ কোনো নীতি-পরিবর্তনে পুরো জিনিসটা বসে না যায়। আর পেজে আগে থেকেই কোনো রেস্ট্রিকশন থাকলে সেটা আগে ঠিক করতে হবে — বট সেটা পাশ কাটাতে পারে না। ◆ কীভাবে এগোবে অর্ডারের পর আমরা প্রথমে আপনার পেজটা দেখি আর সবচেয়ে বেশি আসা প্রশ্নগুলো জেনে নিই। তারপর ফ্লো-টা লিখে আপনাকে দেখাই — কোন প্রশ্নে কী উত্তর যাবে, সেটা আপনি পড়ে ঠিক করার পরেই বানানো শুরু হয়। এই ধাপটা আলাদা রাখার কারণ একটাই: ভুল উত্তর নিয়ে বানানো বট পরে ঠিক করার চেয়ে, আগে উত্তরগুলো ঠিক করে নেওয়া অনেক সস্তা। তারপর বানানো, টেস্ট, আপনার পেজে চালু করা, আর স্ক্রিন শেয়ার করে দেখিয়ে দেওয়া — কোথায় কী বদলাতে হবে সেটা যেন আপনি নিজেই পারেন।


