লিড আসার পরের ৭ দিন — WhatsApp/ইমেইল/SMS-এ ৭-থিম ফলো-আপ সিকোয়েন্স, n8n দিয়ে অটো

এই সার্ভিস সম্পর্কে
কেউ আপনার ফর্ম পূরণ করলে পরের সাত দিন রোজ আলাদা থিমের একটা ফলো-আপ যায় — WhatsApp, ইমেইল বা SMS-এ, n8n দিয়ে নিজে থেকে; সে কিনলে বা থামতে বললে সিকোয়েন্স বন্ধ। লিড ফর্ম জমা দেয়, প্রথম দিন একটা ধন্যবাদ-মেসেজ পায়, তারপর চুপ। তিন দিন পর সে আপনাকে ভুলে গেছে, আপনার টিমও তাকে। ফলো-আপ যে হয় না তার কারণ আলসেমি নয় — মাসে দুইশো লিডকে প্রতিদিন আলাদা করে লেখা কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব না। ◆ কী করে দিই সাত দিনের সাতটা থিম আপনার অফার ধরে লিখি: প্রথম দিন লিডের মতো একজন মানুষের উদাহরণ (দুই ও তিন চ্যানেলে লিডের নিজের পেশা ধরে — ব্যাংকারকে ব্যাংকারের, NGO-কর্মীকে NGO-র; এক চ্যানেলে আপনার সবচেয়ে বড় কাস্টমার-দলের একটা উদাহরণ), দ্বিতীয় দিন প্রমাণ — আসল সংখ্যা, তৃতীয় দিন একজন কাস্টমারের গল্প, চতুর্থ দিন ডেডলাইন বা সিট ধরে রাখার টোকেন, পঞ্চম দিন গ্যারান্টি বা রিফান্ড-নীতি, ষষ্ঠ দিন কমিউনিটি, সপ্তম দিন নতুন অ্যাঙ্গেলে আবার প্রথম কথাটা। তারপর n8n-এ বানাই: লিড আপনার শিট বা ফর্মে (দুই ও তিন চ্যানেলে ফেসবুক লিড ফর্ম বা CRM-এও) পড়লেই শুরু, কিনলে বা থামতে বললে বন্ধ, রাত দশটা থেকে সকাল আটটা কোনো SMS নয়, আর চ্যানেল যতই হোক একজন লিড দিনে একটার বেশি মেসেজ পায় না। SMS যায় বাংলায়, এক সেগমেন্টে, সাথে একটা ছোট লিংক — বিস্তারিত আর থামার অপশন সেখানে — কারণ ব্র্যান্ড-নামে যাওয়া (মাস্কিং) SMS একমুখী, তার উত্তর কোথাও পৌঁছায় না। দুই ও তিন চ্যানেলে AI লিডের পেশা আর ভাষা ধরে (SMS সবসময় বাংলায়) সেদিনের মেসেজটা তার জন্য সাজায় — ইমেইল আর SMS-এ পুরো লেখা, WhatsApp-এ শুধু Meta-অনুমোদিত টেমপ্লেটের ফাঁকা ঘরগুলো। AI উদাহরণ আর ভাষা বদলায়; দাম, সংখ্যা, ডেডলাইন আর গ্যারান্টির কথা আপনার দেওয়া লেখা বা শিট থেকে হুবহু যায়। যে থিমের সত্যি তথ্য আপনার নেই, সেটা বানাই না — অন্য সত্যি কারণ বসাই; প্রমাণের দিনে কারও নাম যায় না, শুধু সংখ্যা। ◆ তিনটা প্যাকেজ এক চ্যানেল — ইমেইল, SMS বা WhatsApp-এর একটায় সাতটা লেখা মেসেজ, সবার জন্য একই, থামার নিয়মসহ (WhatsApp নিলে টেমপ্লেট লিখে অনুমোদনে জমা দেওয়াও)। দুই চ্যানেল — ইমেইলের সাথে SMS বা WhatsApp, সাত থিম দুই চ্যানেলের মাপে লেখা কিন্তু লিড দিনে একটাই পায়, AI প্রতিটা লিডের পেশা ও ভাষায় সাজায়, সাপ্রেশন লিস্ট, উত্তর এলে টিমকে অ্যালার্ট। তিন চ্যানেল — তিনটাই, তবু দিনে একটাই মেসেজ; তিনটা পর্যন্ত প্রোডাক্টের আলাদা সিকোয়েন্স, প্রমাণের সংখ্যা আপনার শিট থেকে লাইভ, কোন থিমের পরে কতজন উত্তর দিল তার সাপ্তাহিক রিপোর্ট। ◆ চলতে কী লাগবে n8n (নিজের সার্ভারে বা ক্লাউডে), আর যে চ্যানেল নেবেন তার অ্যাকাউন্ট — SMS গেটওয়ে, WhatsApp Business API বা নিজের ডোমেইন থেকে ইমেইল পাঠানোর সার্ভিস; দুই ও তিন চ্যানেলে AI-র API কি-ও। সবই আপনার নিজের নামে, ব্যবহার অনুযায়ী বিল, আমাদের ফি-র বাইরে। ইচ্ছাকৃত, যাতে কাল আমাদের সাথে কাজ না করলেও সিকোয়েন্সটা আপনার হাতেই চলে। অর্ডারের আগে চ্যাটে মাসে কত লিড আর কোন চ্যানেল লিখলে আনুমানিক মাসিক খরচ হিসাব করে দিই, অর্ডারের পর প্রথম মেসেজে লিখিত আকারে। ◆ কাদের জন্য যাদের ফর্ম দিয়ে লিড আসে আর কেনার সিদ্ধান্তে কয়েক দিন লাগে: কোর্স, ওয়ার্কশপ, কোচিং, ফ্ল্যাট-প্লট, ক্লিনিকের প্যাকেজ, B2B সার্ভিস, কর্পোরেট ট্রেনিং। “লিড আসা মাত্রই ১ সেকেন্ডে ৫টা কাজ” গিগটা প্রথম সেকেন্ডের — স্বাগত মেসেজ আর টিমকে অ্যালার্ট; এটা তার পরের সাত দিনের, একসাথে ভালো, আলাদাও চলে। ওটার প্রিমিয়ামে ৩ ধাপের ছোট ফলো-আপ আছে — দুটো একসাথে নিলে সেটা বন্ধ করে এই সাত দিনেরটা বসাই, যাতে একই লিডের কাছে দুটো ফলো-আপ একসাথে না চলে। শুধু লেখাগুলো লাগলে — পাঠাবেন নিজে বা নিজের টুলে — “সেলস ফলো-আপ মেসেজ লেখা — ৭ দিনের ৭ থিমে” গিগটা নিন; এই গিগে সেই একই সাত থিমের লেখা, সাথে n8n-এ নিজে থেকে পাঠানো আর থামার নিয়ম। সপ্তাহে দশটার কম লিড এলে নেবেন না, তখন হাতে ফলো-আপ সস্তা। ◆ যা সৎভাবে বলে রাখা দরকার সিকোয়েন্স শুধু তাদের কাছে যায় যারা আপনার ফর্মে নিজে নম্বর বা ইমেইল দিয়েছে, জেনেই যে আপনি যোগাযোগ করবেন — কেনা নম্বর-লিস্ট বা পুরোনো কাস্টমারে ঢালাও প্রোমো এতে চলে না। WhatsApp-এ ফর্ম জমা দিলে ২৪ ঘণ্টার খোলা জানালা তৈরি হয় না, তাই সাতটা মেসেজই Meta-অনুমোদিত মার্কেটিং টেমপ্লেট — Meta একজন মানুষের কাছে কতগুলো মার্কেটিং মেসেজ যাবে তা নিজে সীমিত করে, তাই সাত দিনের সবগুলো WhatsApp-এ পৌঁছানোর কথা দিই না। বিক্রি কত বাড়বে সেটা আপনার অফারের ওপর। তিন চ্যানেলে প্রতি সপ্তাহে রিপোর্ট আসে কোন থিমের পরে কতজন উত্তর দিল আর কেনার আগে শেষ কোন থিম গিয়েছিল; এক ও দুই চ্যানেলে এই রিপোর্ট নেই। মেশিন গতি দেয়, AI ব্যক্তিগত করে, সম্পর্ক বানায় মানুষ — উত্তর এলে আপনার টিম না ধরলে সিকোয়েন্স শুধু বিরক্ত করবে। ◆ কীভাবে এগোবে অর্ডারের পর সাত থিমের কাঁচামাল চাই — অফার, দাম, ডেডলাইন, আসল সংখ্যা, দুজন কাস্টমারের গল্প — আর চ্যানেলের অ্যাক্সেস। দিনের হিসাব শুরু হয় পেমেন্টের পর থেকে; এগুলো পাঠাতে যত দিন দেরি হয়, ডেলিভারিও তত দিন পিছোয়। মেসেজগুলো লিখে আপনাকে দেখাই, আপনি ঠিক করার পর n8n-এ বানাই, আপনার নিজের নম্বর বা ইমেইলে চালিয়ে টেস্ট করি, তারপর লাইভ আর স্ক্রিন শেয়ারে হ্যান্ডওভার।
দেরিতে উত্তর দিলে মাসে কত টাকা হারাচ্ছেন?আপনার মেসেজ-সংখ্যা আর উত্তরের দেরি দিলে হিসাবটা দেখে নিন — ফ্রি, সাইনআপ ছাড়া।সাধারণ জিজ্ঞাসা
আমাকে কী কী দিতে হবে?
সাত থিমের কাঁচামাল: অফারটা কী, দাম, ডেডলাইন বা সিট-সীমা থাকলে সেটা, গ্যারান্টি বা রিফান্ড-নীতি, প্রমাণের আসল সংখ্যা (কতজন কিনেছে বা আবেদন করেছে), দুজন কাস্টমারের গল্প — তাদের অনুমতিসহ — আর আপনার সবচেয়ে বড় কাস্টমার-দল কারা। সাথে লিড যেখানে জমা হয় তার অ্যাক্সেস (Google Sheet, ফর্ম, ফেসবুক লিড ফর্ম বা CRM) আর যে চ্যানেল নেবেন তার অ্যাকাউন্ট। দুই ও তিন চ্যানেলে AI লিডের পেশা ধরে সাজায়, তাই ফর্মে পেশা বা ইন্ডাস্ট্রির একটা ঘর লাগবে; আর ফর্মে লেখা থাকতে হবে আপনার ব্যবসার নাম, কোন চ্যানেলে যোগাযোগ হবে আর কীভাবে থামানো যায় — লাইনটা না থাকলে আমরা লিখে দিই, আপনি ফর্মে বসান। গুছিয়ে লিখতে না পারলে ভয়েস মেসেজে বলে দিন, আমরা লিখে নিই। সংখ্যা না থাকলে প্রমাণের দিনটা সংখ্যা ছাড়া লিখি — বানাই না।
কত সময় লাগে?
এক চ্যানেল ৩ দিন, দুই চ্যানেল ৫ দিন, তিন চ্যানেল ৭ দিন। দিনের হিসাব শুরু হয় পেমেন্টের পর থেকে; কাঁচামাল আর চ্যানেলের অ্যাক্সেস পাঠাতে যত দিন দেরি হয়, ডেলিভারিও তত দিন পিছোয়। বাস্তবে সবচেয়ে বেশি সময় যায় আপনার কাছ থেকে আসল সংখ্যা আর গল্পগুলো পেতে, বানাতে নয়। WhatsApp Business API অ্যাকাউন্ট চালু আর টেমপ্লেটের অনুমোদন Meta-র হাতে, SMS-এ ব্র্যান্ড-নাম (মাস্কিং) নিবন্ধন গেটওয়ের হাতে — এগুলোতে আলাদা করে কয়েক দিন লাগতে পারে, আর তাতে ডেলিভারিও পিছোয়; তাই অর্ডারের দিনই এগুলোর আবেদন শুরু করতে বলি। তাড়া থাকলে অর্ডারের সময় দ্রুত ডেলিভারি নিন — সেটা আমাদের কাজের দিন কমায়, Meta বা গেটওয়ের অনুমোদনের দিন নয়।
রিভিশনে কী কী ধরা হয়?
মেসেজের লেখা বদলানো, দিনের ফাঁক বা পাঠানোর সময় বদলানো, আর থামার নিয়ম ঠিক করা — এগুলো রিভিশন, প্যাকেজ অনুযায়ী এক, দুই বা তিন দফা। নতুন চ্যানেল যোগ করা রিভিশন নয় — তার জন্য অর্ডারের সময়ই উপরের প্যাকেজ নিন; নতুন প্রোডাক্ট যোগ করা অ্যাড-অন। আর দুই ও তিন চ্যানেলে লাইভ হওয়ার পর সাপোর্টের দিনগুলোতে আসল লিডরা কী উত্তর দিচ্ছে দেখে যে টিউনিং করি, সেটা রিভিশনের হিসাবে ধরি না — ওটাই আসল কাজ।
আপনাদের ফি-র বাইরে কী কী খরচ আছে?
পাঁচটা জিনিস, সবই আপনার নিজের নামে আর ব্যবহার অনুযায়ী, যে চ্যানেল নেবেন শুধু তারটা: n8n (নিজের ছোট সার্ভারে খুব কম, ক্লাউডে তাদের প্ল্যান), AI-র API (দুই ও তিন চ্যানেলে, মাসে সাধারণত অল্প), SMS গেটওয়ের প্রতি-SMS চার্জ, WhatsApp Business API-তে Meta-র প্রতি-টেমপ্লেট চার্জ (বিক্রির মেসেজ বলে মার্কেটিং হারে, যেটা ইউটিলিটি-মেসেজের চেয়ে বেশি), আর নিজের ডোমেইন থেকে ইমেইল পাঠানোর সার্ভিস। একটা সাবধানতা: বাংলা SMS-এর এক সেগমেন্টে সত্তরের কাছাকাছি অক্ষর ধরে, লম্বা হলেই দুই-তিন সেগমেন্ট আর খরচ দুই-তিনগুণ; আবার BTRC-র নির্দেশনায় বাল্ক SMS বাংলায় পাঠানোর কথা (লিংক, সংখ্যা আর ব্র্যান্ড-নাম ইংরেজিতে চলে) — তাই SMS বাংলায়, এক সেগমেন্টে ছোট করে লিখি, বিস্তারিত যায় লিংকে। দুই ও তিন চ্যানেলে SMS-এর উত্তর ধরতে চাইলে গেটওয়েতে একটা নন-মাস্কিং নম্বরও লাগে। অর্ডারের আগেই চ্যাটে মাসে কত লিড আর কোন চ্যানেল লিখলে আনুমানিক হিসাব দিই।
WhatsApp-এ কি সত্যিই সাত দিন ধরে মেসেজ পাঠানো যাবে?
পাঠানো যায়, তবে Meta-র নিয়মের ভেতরে আর পৌঁছানোর নিশ্চয়তা ছাড়া। ফর্ম জমা দিলে WhatsApp-এর ২৪ ঘণ্টার জানালা খোলে না — ওটা খোলে লিড নিজে আপনাকে WhatsApp-এ লিখলে; তাই সাতটা মেসেজই আগে থেকে Meta-অনুমোদিত টেমপ্লেট হিসেবে যায়, আর তার জন্য WhatsApp Business API লাগে, ফোনের সাধারণ অ্যাপে হয় না। টেমপ্লেট লিখে অনুমোদনে জমা দেওয়া তিন প্যাকেজেই আমাদের কাজ। ডেডলাইন, গ্যারান্টি, প্রমাণ — এগুলো বিক্রির কথা, তাই টেমপ্লেট জমা দিই “মার্কেটিং” ক্যাটাগরিতে, বিলও সেই হারে; ইউটিলিটি সাজিয়ে জমা দিলে Meta নিজেই মার্কেটিং করে দেয়, তাই ভাষা লুকানোর চেষ্টা করি না। আরেকটা সীমা: একজন মানুষ সব ব্যবসা মিলিয়ে কতগুলো মার্কেটিং মেসেজ পাবে, Meta নিজে তা সীমিত করে — তাই সাত দিনের সবগুলো WhatsApp-এ পৌঁছাবে, এ কথা দিই না। শুধু WhatsApp অ্যাপ থাকলে ওই চ্যানেলটা বাদ দিয়ে ইমেইল আর SMS-এ চালাই। কাস্টমারের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার বট চাইলে সেটা WhatsApp Business চ্যাটবট গিগের কাজ — এটা উত্তর লেখে না, নিজে থেকে ফলো-আপ পাঠায়।
পুরোনো কাস্টমার বা কেনা নম্বর-লিস্টে চালানো যাবে?
না, আর এটা আমাদের নীতি। সিকোয়েন্স শুধু তাদের কাছে যায় যারা আপনার ফর্মে নিজে নম্বর বা ইমেইল দিয়েছে, আর ফর্মে লেখা ছিল আপনার ব্যবসার নাম, কোন চ্যানেলে যোগাযোগ হবে আর কীভাবে থামানো যায় — লাইনটা না থাকলে আমরা লিখে দিই, আপনি ফর্মে বসান; যে চ্যানেলে সম্মতি নেই, যেমন ফোন দিয়েছে কিন্তু SMS চায়নি, সেখানে কিছু যায় না। কেউ থামতে বললে — “আর চাই না” লিখে বা SMS-এর লিংকে চেপে — পরের মেসেজের আগেই সাপ্রেশন লিস্টে, কোনো চ্যানেলে আর কিছু যায় না; দিনে একটার বেশি নয়; রাতে SMS নয়। কারণটা সরল — “থামুন” বলার পর আরেকটা মেসেজ মানে পুরো সিস্টেমের বিশ্বাস হারানো, আর আপনার নম্বর ব্লক হওয়া। কেনা লিস্টে ব্লাস্ট চাইলে এই গিগ আপনার জন্য নয়।
বিক্রি কত বাড়বে?
সেটা আগে থেকে বলা যায় না, আর যে বলে সে অনুমান করছে। যা বলতে পারি: সাত থিমের এই ছন্দটা Learning Bangladesh-এর নিজের ফলো-আপ ক্যাম্পেইনের — সেখানে চলে ইমেইল আর SMS-এ, আর পুরো নকশাটা “আমার এজেন্টিক এআই জার্নি” বইয়ের ১৩ নম্বর অধ্যায়ে লেখা। WhatsApp চ্যানেলটা একই নকশা Meta-র নিয়মে বসানো, সেখানে আমাদের নিজেদের মাপা ফল এখনো নেই। ফল নির্ভর করে আপনার অফার, দাম আর টিম কত দ্রুত উত্তর ধরে তার ওপর। তিন চ্যানেলে সাপ্তাহিক রিপোর্টে দেখায় কোন থিমের পরে কতজন উত্তর দিল আর কেনার আগে শেষ কোন থিম গিয়েছিল, আর ৩০ দিনের সাপোর্টে কোনো থিম দুই সপ্তাহ শূন্য আনলে সেটা বদলে দিই; এক ও দুই চ্যানেলে এই মাপ-রিপোর্ট নেই।
লিড উত্তর দিলে বা কিনে ফেললে কী হয়?
কিনলে সিকোয়েন্স থামে — এক চ্যানেলে আপনার শিটের ‘কিনেছে’ চিহ্ন থেকে, দুই ও তিন চ্যানেলে গেটওয়ে বা CRM থেকেও। খবর গেটওয়ে বা CRM থেকে সরাসরি এলে সাথে সাথে থামে, শিটে হাতে তুললে যখন তোলেন তখন; তাই বিকাশ-পার্সোনাল বা ক্যাশে নেওয়া টাকা দিনে অন্তত একবার শিটে তুলুন, নইলে যে কিনেছে সে পরদিনও ডেডলাইনের মেসেজ পাবে। উত্তর দিলে দুই ও তিন চ্যানেলে সিকোয়েন্স পজ হয়, আপনার টিমের কাছে সাথে সাথে অ্যালার্ট যায়, আর তখন কথাটা মানুষ এগিয়ে নেয় — মেশিন উত্তর লেখে না। SMS-এর উত্তর ধরতে গেটওয়েতে নন-মাস্কিং নম্বর লাগে; ব্র্যান্ড-নামের মাস্কিং SMS-এ উত্তর আসেই না, তাই সেখানে থামার জন্য লিংক থাকে। এক চ্যানেলে n8n শুধু থামার অনুরোধ ধরে — অন্য উত্তরে সিকোয়েন্স থামে না, অ্যালার্টও যায় না, দেখার দায়িত্ব আপনার টিমের নিজের ইনবক্সে। গতি মেশিনের, সম্পর্ক মানুষের।
কাদের এটা নেওয়া উচিত নয়?
চারজনকে সোজা না বলি। এক, যাদের এখনো ফর্ম বা ল্যান্ডিং পেজ নেই — আগে লিড আসার রাস্তা বানান। দুই, সপ্তাহে দশটার কম লিড — তখন হাতে ফলো-আপ সস্তা আর ভালো। তিন, যাদের টিমে উত্তর ধরার কেউ নেই — সিকোয়েন্স তখন শুধু বিরক্ত করে। চার, যেখানে লোকে দেখেই কিনে ফেলে, যেমন ছোট দামের ই-কমার্স — সেখানে সাত দিনের ফলো-আপ নয়, অর্ডার-বট লাগে; ই-কমার্স অর্ডার বটের গিগটা দেখুন। আর ওয়ার্কশপে যারা টিকিট কেটে ফেলেছে তাদের কনফার্মেশন, রিমাইন্ডার আর রিপ্লে চাইলে “ওয়ার্কশপ বা ওয়েবিনারের রেজিস্ট্রেশন থেকে রিপ্লে পর্যন্ত” গিগটা; এটা যারা ফর্ম পূরণ করেও এখনো কেনেনি তাদের জন্য। অর্ডারের আগে চ্যাটে লিখুন সপ্তাহে কত লিড আসে, লাগবে কি না বলে দেব।




