ফ্রিল্যান্স রেট ক্যালকুলেটর
“ঘণ্টায় কত নেব?” — এই প্রশ্নের উত্তর আন্দাজে ঠিক করলে প্রায় সবসময়ই কম হয়। ছুটি, খরচ, প্ল্যাটফর্ম ফি আর যে সময়টা ক্লায়েন্টের কাজে যায় না, সব ধরে আসল সংখ্যাটা বের করুন।
অনেকে হিসাব করেন এভাবে: মাসের আয় ÷ মোট কাজের ঘণ্টা = ৳৩৭৫/ঘণ্টা। কিন্তু ওই হিসাবে ছুটি নেই, ব্যবসার খরচ নেই, প্ল্যাটফর্মের কাটতি নেই, আর যে সময়টা প্রপোজাল লিখতে ও মেসেজের উত্তর দিতে যায় সেটাও নেই। আসল রেট তার চেয়ে প্রায় ২.১ গুণ — এই ফারাকটাই বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সারের লোকসানের জায়গা।
বছরে বিল করার মতো সময় থাকছে ১১৫২ ঘণ্টা, যদিও ডেস্কে বসছেন ১৯২০ ঘণ্টা।
এই রেট দিয়ে কী করবেন
ক্লায়েন্টকে ঘণ্টার রেট বলা সবচেয়ে দুর্বল পথ — তাতে আলোচনা চলে যায় “কত ঘণ্টা লাগবে” নিয়ে, “কী পাচ্ছি” নিয়ে নয়। রেটটা ব্যবহার করুন নিজের জন্য: কাজটা কত ঘণ্টা লাগবে আন্দাজ করে গুণ দিন, তারপর একটা ফিক্সড দাম বলুন।
আর যে কাজে বারবার একই জিনিস করতে হয়, সেটার জন্য প্যাকেজ বানান। একই কাজের দাম প্রতিবার নতুন করে ঠিক করলে সময়ও যায়, দামও কমে যায়।
একটা সতর্কতা: এই হিসাব বলে আপনার খরচ কত, বাজার কত দেবে তা নয়। সংখ্যাটা বাজারের চেয়ে অনেক বেশি এলে সমাধান দাম কমানো নয় — বিল করার মতো সময় বাড়ানো, অথবা এমন কাজে যাওয়া যেখানে ঘণ্টার বদলে ফলের দাম পাওয়া যায়।
রেট ঠিক হলেও কাজ না এলে সমস্যা সাধারণত প্রোফাইল আর প্রপোজালে। Upwork ও Fiverr প্রোফাইল সাজিয়ে দিই — টাইটেল, ওভারভিউ, গিগ আর ১০টা প্রপোজাল টেমপ্লেটসহ।
প্রোফাইল সেটআপ দেখুন