ছবি থেকে শর্ট ফিল্ম — নিজের মুখেই, যেকোনো দশকে
About this service
আপনার কয়েকটা ছবি থেকেই ৩০ সেকেন্ডের সিনেমাটিক শর্ট ফিল্ম — নিজের মুখ, নিজের গল্প, আর যেকোনো দশকে। কথা ছাড়া, মাল্টি-শট, আসল ফিল্মের আলো, গ্রেইন আর ক্যামেরায়। উপরের ভিডিওটা একবার দেখুন। ওটা কোনো সেট না, কোনো ক্যামেরা না, কোনো ক্রু না — শুধু দুইটা স্টুডিও পোর্ট্রেট থেকে বানানো ১৯৮৭ সালের ঢাকা। নিয়ন সাইনবোর্ড, রিকশা, টাইপরাইটার, বৃষ্টির রাত, সিনেমা হলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দুইজন মানুষ। যাদের মুখ আপনি চেনেন। এই গিগে আমরা ঠিক সেটাই বানিয়ে দিই — আপনাকে নিয়ে। ◆ কী পাবেন একটা সত্যিকারের ছোট ফিল্ম। মানে একটা ছবি নড়াচড়া করছে এমন না — একটার পর একটা শট, আলাদা আলাদা অ্যাঙ্গেল, ক্যামেরা এগোচ্ছে, ফোকাস বদলাচ্ছে, শেষে ফ্রিজ ফ্রেম। যেভাবে একটা ট্রেইলার কাটা হয়, ঠিক সেভাবে। ৩০ সেকেন্ডে দশটা আলাদা শট, প্রতিটার নিজের আলো আর নিজের ক্যামেরা মুভমেন্ট। আর পুরোটা কথা ছাড়া — ইচ্ছে করেই। চোখ, হাত আর আলো দিয়ে গল্প বলা হয়; এতে ঠোঁট মেলানোর ঝামেলা থাকে না, আর জিনিসটা দেখতে অনেক বেশি সিনেমার মতো লাগে। ◆ দাম কীসের উপর চরিত্র কয়জন, তার উপর না — ভিডিওর দৈর্ঘ্যের উপর। দুইজন মানুষ রাখতে বাড়তি টাকা লাগে না, সেটা বেসিকেই আছে। যত সেকেন্ড, তত শট, তত কাজ — দামটা ঠিক সেখানেই। ◆ যে যুগটা আপনি চান ৮০-র দশক আমাদের সবচেয়ে চেনা — উপরের ভিডিওটাই তার প্রমাণ। কিন্তু আটকে থাকতে হবে না: ৬০-র সাদা-কালো, ৯০-র ভিএইচএস লুক, আজকের ঢাকা, কিংবা একদম ভবিষ্যতের কোনো শহর। যুগ বদলালে আলো বদলায়, রঙ বদলায়, পোশাক বদলায় — সেই পুরো ব্যাকরণটাই আমরা আলাদা করে সেট করি। আর সবচেয়ে জোরালো ভার্সনটা প্রিমিয়ামে: একই মুখ, দুই যুগ। প্রথমে ৮০-র দশক, তারপর হার্ড কাটে আজকের দিন — একই দুইটা মানুষ। এই একটা কাটই পুরো ভিডিওর পাঞ্চলাইন হয়ে দাঁড়ায়। ◆ মুখ এক থাকে কীভাবে এটাই আসল কারিগরি অংশ, আর এখানেই বেশিরভাগ AI ভিডিও ধরা খায়। আমরা কাজ শুরুর আগে আপনার জন্য একটা ক্যারেক্টার শিট বানাই — সামনে, পাশে, পেছনে, পুরো শরীর, নির্দিষ্ট পোশাকে। প্রতিটা শট ওই শিট ধরে বানানো হয়। তাই দশটা শটে আপনার মুখ, চশমা, স্যুটের কাট, টাইয়ের নকশা — সব এক থাকে। শিট ছাড়া বানালে প্রতি শটে চেহারা একটু একটু করে সরে যায়, আর সেটাই দর্শকের চোখে ধরা পড়ে। ◆ কী কী কাজে লাগে পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং, ইউটিউব বা পেজের ইন্ট্রো, কোর্স বা প্রোডাক্টের প্রোমো, বিয়ের সেভ-দ্য-ডেট, জন্মদিন বা অ্যানিভার্সারির উপহার, ইভেন্টের ওপেনিং ভিডিও — যেখানেই তিরিশ সেকেন্ডে একটা ছাপ ফেলতে হয়। ◆ যা সৎভাবে বলে রাখা দরকার এটা AI দিয়ে বানানো, আর AI এখনো ফ্রেমের ভেতরের লেখা ঠিকমতো লিখতে পারে না। তাই আমরা ইচ্ছে করেই সাইনবোর্ড, পোস্টার আর কাগজের লেখা ঝাপসা আর অস্পষ্ট রাখি — কাছ থেকে পড়তে গেলে ওগুলো আসলে কিছু না। ব্র্যান্ডের নাম বা কোনো নির্দিষ্ট লেখা ফ্রেমে দরকার হলে সেটা আমরা পরে এডিটে বসিয়ে দিই, তাতে পরিষ্কার আসে। আর নাচ, মারামারি, খেলা — এই ধরনের দ্রুত আর জটিল শারীরিক নড়াচড়ায় AI এখনো দুর্বল। এই গিগ ভালো কাজ করে হাঁটা, তাকানো, ঘুরে দাঁড়ানো, হাত বাড়ানো, বৃষ্টিতে দৌড়ানো — অর্থাৎ যে ভাষায় আসল সিনেমা এমনিতেও কথা বলে। ◆ কীভাবে এগোবে অর্ডারের পর আপনি ছবি আর আইডিয়াটা দেবেন। আমরা প্রথমে ক্যারেক্টার শিট বানিয়ে আপনাকে দেখাব — মুখ ঠিক এসেছে কি না, সেটা আপনি নিশ্চিত করার পরেই ভিডিও বানানো শুরু হবে। এই ধাপটা আলাদা করে রাখার কারণ একটাই: গোড়ায় মুখ ঠিক না থাকলে পরে দশটা শট রিভিশন করেও লাভ হয় না। তারপর ফিল্ম, তারপর কালার গ্রেড, গ্রেইন, মিউজিক আর টাইটেল কার্ড। ডেলিভারি ফুল এইচডি MP4-এ।


