পুরোনো ছবি রিস্টোর — দাগ-ভাঁজ সরিয়ে বাঁধাই করার মতো স্পষ্ট, চাইলে অ্যানিমেট করে নড়ে-ওঠা ভিডিও

About this service
দাদার ভাঁজ-পড়া, হলুদ হয়ে যাওয়া ছবিটা পাঠান — যতটা বাকি আছে তা থেকে দাগ-ভাঁজ সরিয়ে, মুখ স্পষ্ট করে প্রিন্ট করার মতো ফেরাই; চাইলে ছবিটা নড়ে-ওঠা ভিডিওও হয়। আলমারির অ্যালবামে এমন ছবি সবারই আছে — ভাঁজে ফেটে গেছে, রং হলুদ, এক কোণায় পানির ছোপ। ফোনে তুলে পরিবারের গ্রুপে পাঠালে মুখই বোঝা যায় না, আর বড় করে বাঁধাই করতে গেলে স্টুডিও বলে “এটা আর হবে না”। এখন অনেকটাই ফেরানো যায়। আমার বই “আমি যেভাবে AI চালাই”-এর ইমেজ-অধ্যায়ে Magnific দিয়ে কম রেজুলেশনের ছবি বড় ও স্পষ্ট করার কথা লিখেছি; এখানে সেই আপস্কেলের সাথে এডিটিং-এ দাগ-ভাঁজ সারিয়ে আপনার ছবিতে কাজ করি — তারপর একজন মানুষ প্রতিটা মুখ আসল ছবির পাশে রেখে মিলিয়ে দেখে। ◆ কী করে দিই রিস্টোরে তিনটা কাজ: ধুলো, দাগ, ভাঁজ, ফাটল আর ছোপ সরানো; ফেড হয়ে যাওয়া রং আর কনট্রাস্ট ফেরানো (সাদাকালো ছবি সাদাকালোই থাকে, রঙিন করা আলাদা অ্যাড-অন, আর সেই রং AI-র অনুমান); আর মুখের ডিটেইল ফিরিয়ে ছবিটা আপস্কেল করা, যাতে A4-এ প্রিন্ট করলেও ঝাপসা না লাগে। অ্যানিমেটে রিস্টোর করা ছবিটাকেই AI ভিডিও টুলে দিয়ে ৫ থেকে ৮ সেকেন্ডের ক্লিপ বানাই — নিঃশ্বাস, চোখের পলক, হালকা হাসি, একটু মাথা ঘোরানো, ক্যামেরা ধীরে কাছে যাচ্ছে। এটুকুই, ইচ্ছে করে। এটা সবচেয়ে ভালো আসে এক বা দুইজনের ছবিতে; বড় গ্রুপ ছবিতে সবার মুখ একসাথে নড়ালে চেহারা বিকৃত হয়ে যেতে পারে, তাই সেখানে মুখ স্থির রেখে শুধু ক্যামেরা ধীরে এগোয় — ছবি দেখে সেটা কাজ শুরুর আগেই জানাই, না চাইলে অর্ডার বাতিল করে পুরো টাকা ফেরত দিই। কথা বলানো বা ঠোঁট মেলানো করি না, কারণ ছবির মানুষটা ওই কথা বলেননি। ◆ তিনটা প্যাকেজ রিস্টোর — একটা ছবি, এক দিনে। অ্যানিমেট — একই ছবি রিস্টোর করে ৫–৮ সেকেন্ডের ভিডিও, দুই দিনে। স্মৃতি-ক্লিপ — তিনটা ছবি রিস্টোর ও অ্যানিমেট করে ৩০–৪৫ সেকেন্ডের এক ভিডিওতে গাঁথা: প্রতিটা ছবি আগে স্থির, তারপর নড়ে ওঠে, মাঝে নাম-সালের টাইটেল কার্ড, পেছনে মিউজিক; ১৬:৯ ও ৯:১৬ দুই মাপে — বিবাহবার্ষিকী, জন্মদিন বা স্মরণসভায় দেখানোর জন্য। প্রতিটা অ্যাড-অন এক অর্ডারে একবারই নেওয়া যায়, আর নামের পাশেই লেখা থাকে সেটা কতটুকুর জন্য। “আরেকটি ছবি রিস্টোর ও অ্যানিমেট” অ্যানিমেট প্যাকেজে আলাদা একটা ক্লিপ হয়, স্মৃতি-ক্লিপে একই ভিডিওতে জোড়া হয়। এটা আর কণ্ঠের রেকর্ডিং বসানো শুধু অ্যানিমেট আর স্মৃতি-ক্লিপের সাথে চলে; রিস্টোর প্যাকেজের সাথে ভুল করে নিলে, বা গ্রুপ ছবির মুখটা আলাদা পোর্ট্রেটের মতো বড় না হলে, কাজ শুরুর আগেই জানাই, অর্ডারটা বাতিল করে পুরো টাকা ফেরত দিই, আপনি ঠিকভাবে আবার অর্ডার করেন। ◆ কাদের জন্য যাঁদের বাবা-মা বা দাদা-দাদির একটাই ভালো ছবি আছে আর সেটা নষ্ট হচ্ছে। স্মরণ অনুষ্ঠানের জন্য বাঁধাই করার মতো ছবি যাঁদের দরকার। বিবাহবার্ষিকীতে বাবা-মাকে তাঁদের বিয়ের ছবি নড়ে-ওঠা অবস্থায় দেখাতে চান যাঁরা। আর সেই প্রতিষ্ঠানও, যাদের ৩০ বছর আগের উদ্বোধনের ছবিটা ওয়েবসাইটে দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই — তবে বড় গ্রুপ ছবির ছোট মুখগুলো কতটা ফিরবে সেটা আগে দেখে বলি, আর অতিথিদের মুখ অ্যানিমেট করি না। ◆ যা সৎভাবে বলে রাখা দরকার রিস্টোর মানে কিছুটা অনুমান। যেখানে ডিটেইল একেবারে মুছে গেছে, সেখানে AI যা বসায় সেটা আন্দাজ — মুখের গড়ন ইচ্ছে করে বদলাই না, আর কোন জায়গা অনুমানে ভরা হয়েছে সেটা ডেলিভারির সাথে বলে দিই। তাই আইনি বা প্রামাণ্য কাজে এই ছবি চলবে না। রঙিন করা আরও বড় অনুমান — সাদাকালো ছবিতে শাড়ি, দেয়াল বা চোখের আসল রং থাকে না, AI আন্দাজে বসায়; কারও মনে থাকলে ছবি পাঠানোর সময় চ্যাটে লিখে দিন, আমরা সেই রঙের কাছাকাছি বসাই। মুখ খুব ছোট হলে, যেমন বড় গ্রুপ ছবিতে, অনুমান বেশি হয় — কাজ শুরুর আগে দেখে বলি হবে কি না; না হলে অর্ডার বাতিল করে পুরো টাকা ফেরত দিই। ছবিটা আপনার নিজের, পরিবারের বা আপনার প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আর্কাইভের হতে হবে; ছবির কোনো জীবিত মানুষকে অ্যানিমেট করতে হলে তাঁর সম্মতি লাগে। আমাদের কাছে রাখা কাজের ফাইল অর্ডার সম্পন্ন হওয়ার ৭ দিন পর মুছে দিই (অর্ডার-চ্যাটে আপলোড করা ফাইল অর্ডারের রেকর্ডে থাকে, শুধু আপনি আর আমরা দেখতে পাই), লিখিত অনুমতি ছাড়া পোর্টফোলিওতেও যায় না। স্মৃতি-ক্লিপের মিউজিক AI-তে বানানো, ক্লিপের শেষে সেটা লেখা থাকে; চলতি সিনেমা বা শিল্পীর গান বসাই না। টুলগুলো আমাদের অ্যাকাউন্টে চলে, ফি-র বাইরে খরচ নেই; প্রিন্ট বা ফ্রেম আপনার নিজের। নতুন দৃশ্য বা অন্য দশকে নিজের মুখে গল্প চাইলে “ছবি থেকে শর্ট ফিল্ম” গিগটা দেখুন, আর প্রিয় মানুষের মুখে পুরো একটা মৌলিক বাংলা গানের ভিডিও চাইলে “প্রিয় মানুষের চেহারা নিয়েই AI মিউজিক ভিডিও” — এখানে শুধু আসল ছবিটাই ফিরে আসে, আর স্মৃতি-ক্লিপে মিউজিক থাকে শুধু পেছনে। ◆ কীভাবে এগোবে অর্ডারের পর ছবিটা পাঠান — স্ক্যানার থাকলে ৬০০ dpi-তে, না থাকলে দিনের আলোয় সোজাসুজি ফোনে তোলা, ফ্ল্যাশ ছাড়া; অর্ডারের চ্যাটে ফাইল হিসেবে আপলোড করুন বা Drive লিংক দিন, কারণ WhatsApp-এ সাধারণ ছবি হিসেবে ঘুরে এলে কম্প্রেসে অনেকটা ডিটেইল চলে যায়। আমরা কাজ শুরুর আগে দেখে জানাই কতটুকু ফিরবে, তারপর কাজ। দিনের হিসাব শুরু হয় পেমেন্টের পর থেকে; ছবিটা পাঠাতে যত দিন দেরি হয়, ডেলিভারিও তত দিন পিছোয় — তাই পেমেন্টের পরপরই ছবি পাঠিয়ে দিন।


