এক স্ক্রিপ্ট থেকে ১০টা রিল/শর্টস (৯:১৬) — হুক, ফুটেজ, ক্যাপশন, মিউজিকসহ পোস্ট করার মতো

এই সার্ভিস সম্পর্কে
একটা স্ক্রিপ্ট, ব্লগ বা লেকচারের লেখা পাঠান — তার ভেতর থেকেই ১০টা আলাদা হুক বের করে ১০টা ৯:১৬ রিল/শর্টস বানিয়ে দিই, ক্যাপশন আর মিউজিকসহ, সরাসরি পোস্ট করার মতো। আপনার কাছে বলার মতো জিনিস আছে — একটা লেকচার, একটা ব্লগ, প্রোডাক্টের বর্ণনা, এক ঘণ্টার লাইভ। কিন্তু রিল বানাতে গেলে প্রতিবার শূন্য থেকে শুরু: কী বলব, কোন দৃশ্য, কে এডিট করবে। ফলে সপ্তাহে একটা, মাসে তিনটা, তারপর পেজ চুপ। সমস্যাটা কন্টেন্টের অভাব নয়, ভাগ করার অভাব। একটা পূর্ণ লেখা বা লেসনে সাধারণত অনেকগুলো আলাদা কথা বলার কোণ থাকে; আমরা তার দশটা বের করে দশটা আলাদা রিল বানাই — আপনার লাইভ বা লম্বা ভিডিও কেটে নয়, নতুন দৃশ্যে। ◆ কী করে দিই প্রথমে উৎসটা পড়ে বা শুনে ১০টা হুকের একটা শিট বানাই — কোন রিল কোন কথাটা বলবে, প্রথম দুই সেকেন্ডে কী দেখাবে, শেষে কী বলে থামবে। ৩০ ও ৬০ সেকেন্ড প্যাকেজে এরপর প্রতিটা রিলের ডিরেক্টর শট-লিস্ট: দৃশ্য, ক্যামেরা মুভমেন্ট আর লেন্স, লাইটিং-মুড, শেষ ফ্রেম — সাব্বির আহমেদের বই “আমি যেভাবে AI চালাই”-এর প্রম্পট ১৭ ঠিক এই কাজেই লেখা — আর শট-লিস্ট ধরে প্রতি রিলে কয়েকটা AI শট (৩০ সেকেন্ডে ৩টা, ৬০ সেকেন্ডে ৫টা পর্যন্ত), প্রোডাক্ট বা মানুষের একটা রেফারেন্স ছবি ধরে, যাতে দশটা রিলে চেহারা যতটা সম্ভব একই থাকে; বাকি দৃশ্য স্টক ফুটেজ, টেক্সট-মোশন, আর ৬০ সেকেন্ডে আপনার নিজের ক্লিপ। ১৫ সেকেন্ডে ফুটেজ আসে স্টক থেকে আর আপনার দেওয়া ছবি থেকে। তারপর সব প্যাকেজে CapCut-এ কাটা, মিউজিক, বাংলা সাবটাইটেল, আর ডেলিভারির আগে প্রতিটা রিল ফ্রেম ধরে ধরে দেখা — AI ফুটেজে হাত, আঙুল আর লেখা এখনও মাঝেমধ্যে গড়বড় করে। ◆ তিনটা প্যাকেজ — সেকেন্ডের সিঁড়ি ১৫ সেকেন্ড: টেক্সট-হুক, স্টক ফুটেজ, সাবটাইটেল, মিউজিক। ৩০ সেকেন্ড: সাথে AI ভয়েসওভার, শট-লিস্ট ধরে প্রতি রিলে ৩টা পর্যন্ত AI শট, তিনটা রিলের হুক দুই ভার্সনে। ৬০ সেকেন্ড: আপনার নিজের ফোনে তোলা ক্লিপ বা রেকর্ড করা কণ্ঠ মিশিয়ে, প্রতি রিলে ৫টা পর্যন্ত AI শট, আর প্রতিটা রিলের কথা থেকে ফেসবুক পোস্ট, লিংকডইন ভার্সন, ইমেইল ইন্ট্রো ও ৫টা কোট — বইয়ের প্রম্পট ১৯, “এক কন্টেন্ট, পাঁচ ফরম্যাট” পদ্ধতিতে; এগুলো লেখা, ভিডিওর আলাদা সাইজ নয়। ভিডিও ছাড়া শুধু লেখাগুলো চাইলে “এক কন্টেন্ট থেকে পাঁচ ফরম্যাট” গিগটা অনেক সস্তা। তিনটাতেই ১০টা রিল, ৯:১৬, ১০৮০×১৯২০ MP4। ◆ কাদের জন্য যাদের কন্টেন্ট আছে কিন্তু রিল বানানোর লোক নেই: ট্রেইনার, কোচ, কোর্স বিক্রেতা, লেখক, কনসালট্যান্ট, পেশাজীবী যারা একটা লেকচার বা লেখা থেকে মাস চালাতে চান; আর যেসব পেজ বা ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট-বর্ণনা আছে কিন্তু ভিডিও নেই। ◆ যা সৎভাবে বলে রাখা দরকার ভিউ বা ভাইরাল হওয়ার কোনো প্রতিশ্রুতি এখানে নেই — সেটা প্ল্যাটফর্ম ঠিক করে, আমরা না। আমরা যেটা করি: প্রতিটা রিলের প্রথম দুই সেকেন্ডে একটা স্পষ্ট হুক রাখি, বাকিটা আপনার নিজের কথা; কে থামবে, সেটা কেউ নিশ্চিত করতে পারে না। AI ফুটেজ AI-র মতোই দেখায়; ক্যামেরায় শুট করা জিনিস চাইলে এটা সেই সার্ভিস নয়, আর আপনার লাইভ বা লম্বা ভিডিও কেটে ক্লিপ বানানোর সার্ভিসও নয়। রেফারেন্স ছবির মানুষ শুধু আপনি নিজে, বা যার লিখিত অনুমতি আছে; কারও কণ্ঠ ক্লোন করা হয় না। AI ভয়েস, AI মিউজিক বা মানুষের মতো দেখতে AI শট থাকলে পোস্ট-ক্যাপশনে সেটা লেখা থাকে, আর ডেলিভারির সাথে কোন রিলে কী AI-তে বানানো তার তালিকা দিই; পোস্টের সময় ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকের AI-লেবেল আপনাকেই চালু করতে হয়, কোথায় সেটা দেখিয়ে দিই। ট্রেন্ডিং গান বসিয়ে দিই না — প্রচারের রিলে ওটা বসাতে আলাদা লাইসেন্স লাগে; রয়্যালটি-ফ্রি বা AI মিউজিক দিই। পেজ বা বিজনেস অ্যাকাউন্টে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম আর টিকটক অ্যাপ নিজেই শুধু বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতি-থাকা সাউন্ড দেখায়, চাইলে সেখান থেকে বসাতে পারবেন; বিক্রির রিলে জনপ্রিয় গান বসালে সাউন্ড মিউট বা রিল সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। এখানে কী বলবেন সেটা নতুন করে বানানো হয় না, আপনার নিজের কথাই দশটা রিলে ভাগ করা হয়; একটা অফার বা প্রোডাক্টের জন্য আলাদা করে বানানো একটা ভিডিও চাইলে “পূর্ণাঙ্গ AI কমার্শিয়াল” গিগটা দেখুন, আর নিজের চেহারা-কণ্ঠে কথা বলা ভিডিও চাইলে “AI প্রেজেন্টার ভিডিও”। ◆ কীভাবে এগোবে পেমেন্টের পর প্রথম মেসেজে স্ক্রিপ্ট, লেখা বা ভিডিওর লিংক, লোগো-রঙ, আর প্রোডাক্ট বা মানুষের ছবি চাই। উপকরণ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হুক-শিট পাবেন, আপনি হ্যাঁ বলার পর বানানো শুরু — ভুল হুকে দশটা রিল বানানোর চেয়ে আগে দশটা লাইন ঠিক করা অনেক সস্তা। তারপর বানানো, ফ্রেম-চেক, ডেলিভারি; সাথে পোস্ট করার জন্য ১০টা পোস্ট-ক্যাপশন। দিনের হিসাব শুরু হয় পেমেন্টের পর থেকে; উপকরণ বা হুক-শিটের হ্যাঁ যত দিন দেরিতে আসে, ডেলিভারিও তত দিন পিছোয় — নতুন তারিখটা মেসেজে লিখে জানাই।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
আমাকে কী কী দিতে হবে?
একটা উৎস — স্ক্রিপ্ট, ব্লগ, কোর্সের একটা লেসন, প্রোডাক্টের বর্ণনা, বা ভিডিও/লাইভের লিংক; লেখা ৩,০০০ শব্দ বা ভিডিও ২০ মিনিট পর্যন্ত দামের ভেতরে। ভিডিও ২০ মিনিটের বেশি হলে “লম্বা লাইভ/ভিডিও থেকে কথা লেখায় তোলা” অ্যাড-অন (৯০ মিনিট পর্যন্ত); তবে লেখায় তোলার পরেও রিল বানাই ৩,০০০ শব্দের মতো একটা অংশ থেকেই — কোন অংশটা বেছেছি, হুক-শিটে লেখা থাকে। লেখা ৩,০০০ শব্দের বেশি হলে কোন অংশ থেকে রিল চান দেখিয়ে দিন। ভিডিও থেকে কথাগুলো লেখায় তুলি, কিন্তু আপনার ভিডিও কেটে ক্লিপ বানাই না — রিল নতুন দৃশ্যে বানানো হয়। দশটা আলাদা রিলের জন্য উৎসে অন্তত এতটুকু কথা লাগে: ১৫ সেকেন্ডে ৫০০ শব্দ, ৩০ সেকেন্ডে ১,০০০, ৬০ সেকেন্ডে ১,৫০০ (ভিডিও হলে মোটামুটি ৪, ৮ আর ১২ মিনিট)। সাথে লোগো, ব্র্যান্ডের রঙ আর প্রোডাক্ট বা মানুষের পরিষ্কার ছবি — ১৫ সেকেন্ডে ছবিগুলো ফুটেজে বসে, ৩০ ও ৬০ সেকেন্ডে একটা ছবি রেফারেন্স হয়, যাতে দশ রিলে চেহারা যতটা সম্ভব এক থাকে। ৬০ সেকেন্ড প্যাকেজে নিজের ফোনে তোলা ক্লিপ (মোট ১৫ মিনিট পর্যন্ত) বা রেকর্ড করা কণ্ঠ পাঠালে সেটাও মেশাই। স্ক্রিপ্ট গুছানো না হলেও চলে — হুক-শিটে সাজিয়ে দেখাই।
স্ক্রিপ্ট নেই, শুধু টপিক আছে — চলবে?
না, এই গিগ আপনার নিজের কন্টেন্ট থেকে শুরু হয়, শূন্য থেকে নয় — কারণ আপনার অভিজ্ঞতা আর কথা ছাড়া রিলগুলো জেনেরিক হয়, আর জেনেরিক জিনিস মানুষ স্ক্রল করে চলে যায়। আপনার একটা লাইভ বা ভিডিও থাকলে সেটাই উৎস — ২০ মিনিট পর্যন্ত কথা দামের ভেতরেই লেখায় তুলে নিই, তার বেশি হলে “লম্বা লাইভ/ভিডিও থেকে কথা লেখায় তোলা” অ্যাড-অন নিন। কী নিয়ে পোস্ট করবেন সেটাই ঠিক না থাকলে আগে “৩০ দিনের কন্টেন্ট ক্যালেন্ডার” গিগটার “প্ল্যান+পোস্ট” প্যাকেজটা (৳২,৪৯৯) দেখুন — ১০টা রিল-স্ক্রিপ্ট ওখান থেকেই আসে, ৳৯৯৯-এর ক্যালেন্ডার প্যাকেজে ওটা নেই। সেই দশটা স্ক্রিপ্ট হাতে এলে এখানে শব্দের ন্যূনতম হিসাবটা আর লাগে না, কারণ দশটা কোণ তখন আগেই ঠিক করা।
কত সময় লাগে?
১৫ সেকেন্ড প্যাকেজ ৩ দিন, ৩০ সেকেন্ড ৫ দিন, ৬০ সেকেন্ড ৭ দিন। দিনের হিসাব শুরু হয় পেমেন্টের পর থেকে, অর্ডার পেজের কাউন্টডাউনও সেখান থেকেই চলে — তাই পেমেন্টের পর প্রথম মেসেজেই স্ক্রিপ্ট, ছবি আর লোগো পাঠিয়ে দিন। উপকরণ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হুক-শিট পাঠাই। উপকরণ বা হুক-শিটের হ্যাঁ যত দিন দেরিতে আসে, ডেলিভারিও তত দিন পিছোয়; পেজের কাউন্টডাউন নিজে থেকে থামে না, তাই নতুন তারিখটা মেসেজে লিখে দুজনে মিলিয়ে নিই, যাতে লাল ‘দেরি’ চিহ্ন নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি না হয়। তাড়া থাকলে অর্ডারের সময় দ্রুত ডেলিভারি অপশনটা নিন (২, ৩ বা ৫ দিন) — সেই দিনও পেমেন্ট থেকেই গোনা, আর হুক-শিটের ধাপ তখনও বাদ যায় না, তাই হুক-শিটের উত্তর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দিন।
রিভিশনে কী পড়ে, কী পড়ে না?
একটা রিভিশন মানে এক দফা: ডেলিভারির পর রিভিশন চাওয়ার সময় নোটে দশটা রিলের যেটায় যা বদল লাগে, সব একসাথে লিখে পাঠান — প্রতি রিলে আলাদা রিভিশন নয়, প্রতিবার রিভিশন চাইলে এক দফা গোনা হয়; ১৫ সেকেন্ডে এক দফা, ৩০ সেকেন্ডে দুই, ৬০ সেকেন্ডে তিন। হুক-শিট অনুমোদনের আগে সেখানে বদল রিভিশনে গোনা হয় না। রিভিশন মানে বানানো রিলে বদল — সাবটাইটেল বা পোস্ট-ক্যাপশনের শব্দ, টেক্সটের জায়গা, মিউজিক বদল, কোনো শট ছোট-বড় করা, কভার ফ্রেম পাল্টানো। হুক-শিট আপনি অনুমোদন করার পর যদি পুরো অ্যাঙ্গেল বদলাতে চান, সেটা নতুন রিল বানানো, রিভিশন নয় — তার দাম আগে মেসেজে জানাই, আপনি রাজি হলে তবেই কাজ; এই কারণেই হুক-শিটের ধাপটা আগে রাখা। AI ফুটেজে কোনো গড়বড় আমাদের চোখ এড়িয়ে গেলে মেসেজে জানালেই ঠিক করে ফাইল পাঠাই, তার জন্য আপনার রিভিশন খরচ করতে হয় না — ওটা আমাদের ভুল।
আপনাদের ফি-র বাইরে কোনো খরচ আছে?
সাধারণত কিছু না — ফুটেজ, ভয়েস আর মিউজিকের টুল আমাদের নিজেদের, সেটা ফি-র ভেতরেই, আর তৈরি MP4 পোস্ট করতে কোনো সাবস্ক্রিপশন লাগে না। খরচ বাইরে পড়ে তিন জায়গায়, আর তিনটাই আপনার নিজের নামে থাকে: কোনো নির্দিষ্ট বাণিজ্যিক গান বসাতে চাইলে সেটার লাইসেন্স; রিল বুস্ট করার অ্যাড বাজেট; আর ৬০ সেকেন্ড প্যাকেজের CapCut প্রজেক্ট ফাইল CapCut ডেস্কটপে খুলে নিজে আবার এক্সপোর্ট করতে চাইলে, যেসব রিলে আমরা CapCut Pro-র ইফেক্ট বা ফন্ট ব্যবহার করেছি সেগুলোর জন্য আপনার নিজের CapCut Pro — কোন রিলে Pro-উপাদান আছে, হ্যান্ডওভার নোটে লিখে দিই। এটা ইচ্ছাকৃত, যাতে কাল আমাদের সাথে কাজ না করলেও ফাইল আর অ্যাকাউন্ট আপনার হাতেই থাকে। এই গিগে কারও কণ্ঠ ক্লোন করা হয় না; নিজের ক্লোন-কণ্ঠ চাইলে “AI প্রেজেন্টার ভিডিও” গিগটা দেখুন।
আমার চেহারা বা কণ্ঠ কি AI দিয়ে বানানো হবে?
কণ্ঠ — না, এই গিগে কারও কণ্ঠ ক্লোন হয় না: ৩০ ও ৬০ সেকেন্ডের AI ভয়েসওভার একটা তৈরি AI কণ্ঠ, আর ৬০ সেকেন্ডে চাইলে আপনার নিজের রেকর্ড করা আসল কণ্ঠ। চেহারা — ৩০ ও ৬০ সেকেন্ডে আপনার দেওয়া রেফারেন্স ছবি ধরে AI শটে মানুষ দেখানো যায়, কিন্তু সে ঠোঁট মিলিয়ে কথা বলে না; ছবিটা আপনার নিজের, বা যার লিখিত অনুমতি আপনার কাছে আছে, হতে হবে — সেলিব্রিটি বা অন্য কারও নয়; বইয়ে যেটা লেখা, অনুমতির লাইন পার হলে সেটা আর কন্টেন্ট থাকে না, প্রতারণা হয়ে যায়। AI ভয়েস, AI মিউজিক বা মানুষের মতো দেখতে AI শট থাকলে পোস্ট-ক্যাপশনে ছোট করে সেটা লেখা থাকে, আর প্ল্যাটফর্মের AI-লেবেল কোথায় চালু করবেন দেখিয়ে দিই। ৬০ সেকেন্ডে চাইলে AI শট বাদ দিয়ে আপনার আসল ক্লিপ, কণ্ঠ আর স্টক ফুটেজ দিয়েও হতে পারে। নিজের চেহারা-কণ্ঠে ক্যামেরার সামনে কথা বলার মতো ভিডিও চাইলে সেটা “AI প্রেজেন্টার ভিডিও” গিগ, এটা নয়।
কাদের এটা না নেওয়াই ভালো?
যাদের নিজের কোনো কন্টেন্ট নেই আর চান আমরা বানিয়ে দিই কী বলবেন — সেটা এই গিগ নয়। যারা ভিউ বা ভাইরালের নিশ্চয়তা চান — ওটা কেউ দিতে পারে না, আমরাও না। যারা নিজের পডকাস্ট, লাইভ বা লম্বা ভিডিও কেটে নিজের মুখের ক্লিপ বানাতে চান — এই গিগ আপনার লম্বা ভিডিও কেটে রিল বানায় না, নতুন দৃশ্যে বানায়। যারা ট্রেন্ডিং মিম, জনপ্রিয় গান বা অন্যের ভিডিও কেটে রিল চান — করি না। আর যাদের একটা অফার বা প্রোডাক্টের জন্য আলাদা করে বানানো একটা ভিডিও দরকার, দশটা নয় — তাদের জন্য “পূর্ণাঙ্গ AI কমার্শিয়াল” গিগটা ঠিক; নিজের চেহারা-কণ্ঠে কথা বলা ভিডিও চাইলে “AI প্রেজেন্টার ভিডিও”।
১০টা রিল কি আসলে একই কথা ১০ বার?
না, আর সেটা ধরার জন্যই হুক-শিট আগে দেখানো হয়। একটা উৎস থেকে আমরা আলাদা আলাদা কোণ বের করি — মূল দাবি, সবচেয়ে বড় আপত্তির উত্তর, একটা ভুল ধারণা ভাঙা, ধাপে ধাপে কীভাবে, একটা গল্প, একটা সংখ্যা, শেষে কী করবেন — প্রতিটা নিজের মতো করে দাঁড়ায়, আগেরটা না দেখলেও বোঝা যায়। উৎসে সত্যিই দশটা কোণ না থাকলে বানানো শুরুর আগেই হুক-শিটে বলে দিই; তখন একই সীমার ভেতরে আরেকটা লেখা বা ভিডিও যোগ করুন, বাড়তি খরচ ছাড়াই — দশটার কম রিল দিয়ে দশটার দাম নিই না।
এই ধরনের আরও সার্ভিস
দ্রুত ডেলিভারিভিডিও টু রিটেন ট্রান্সক্রিপ্ট — বাংলা ও ইংরেজি, নির্ভুল টাইপিং
ট্রেন্ডিংশর্ট AI প্রোমো ভিডিও — সোশ্যাল মিডিয়া ও রিলসের জন্য
প্রিমিয়াম