৩০ সেকেন্ডের বাংলা ব্র্যান্ড জিঙ্গেল — মুখে লেগে যাওয়া শেষ লাইনসহ
এই সার্ভিস সম্পর্কে
আপনার ব্র্যান্ডের মৌলিক বাংলা জিঙ্গেল — লিরিক লেখা থেকে গান, মিক্স, ইনস্ট্রুমেন্টাল পর্যন্ত। ব্র্যান্ডের নাম দুবার, সহজ শব্দ, একটা লাইন যেটা মানুষ গুনগুন করে। একটা জিঙ্গেল একবার বানানো হয়, তারপর প্রতিটা ভিডিও, রিল, রেডিও স্পট, দোকানের স্পিকার আর ফোনের হোল্ড-টোনে বছরের পর বছর বাজে। বড় ব্র্যান্ডের এটা থাকে; ছোট ব্র্যান্ডের থাকে না, কারণ স্টুডিও, সুরকার আর শিল্পী মিলে দামটা লাখের ঘরে চলে যেত। এখন যায় না। ◆ কী করে দিই আপনার ব্র্যান্ড, প্রোডাক্ট আর মেজাজ (উৎসবের? ভরসার? তরুণ?) শুনে আগে লিরিক লিখি — চার থেকে ছয় লাইন, সহজ শব্দ, কম যুক্তাক্ষর যাতে গাইলে পরিষ্কার শোনা যায়, ব্র্যান্ডের নাম দুবার, আর শেষ লাইনটা এমন যেটা মনে থেকে যায়। লিরিক আপনি ঠিক করার পর তিনটা আলাদা স্টাইলে গান বানাই (যেমন: পপ, ফোক, আধুনিক ব্যান্ড) — আপনি একটা বাছেন, সেটাকে পলিশ করি, মিক্স ও মাস্টার করে MP3 ও WAV দিই, সাথে ইনস্ট্রুমেন্টাল ভার্সন যাতে ভয়েসওভারের নিচে বাজানো যায়। ◆ তিনটা দৈর্ঘ্য ১৫ সেকেন্ড — ট্যাগলাইন জিঙ্গেল: রিলের শেষ, ইন্ট্রো-আউট্রো, স্টোরির স্টিং। ৩০ সেকেন্ড — ফুল জিঙ্গেল: অ্যাড, রেডিও, দোকান। ৬০ সেকেন্ড — জিঙ্গেল + ৩০ ও ১৫ সেকেন্ডের কাট, রেডিও ভার্সন, আর স্টেম (ভোকাল-মিউজিক আলাদা ট্র্যাক) যাতে আপনার এডিটর যেভাবে খুশি ব্যবহার করতে পারে। ◆ যা সৎভাবে বলে রাখা দরকার গানটা AI দিয়ে বানানো — সুর, বাদ্য, কণ্ঠ সব। আমরা যে পেইড টুল ব্যবহার করি তার শর্তে বাণিজ্যিক ব্যবহার করা যায়, আর আউটপুটটা আপনাকে দিয়ে দেওয়া হয়। তবে দুটো জিনিস AI-জেনারেটেড গানে কেউ দিতে পারে না, আমরাও না: এক, কোনো জাতীয় সংস্থায় সুরের কপিরাইট নিবন্ধন — সেটা আপনার আইনজীবীর কাজ, আর AI-সৃষ্ট সুরে সেটা দেশভেদে আলাদা; দুই, “এই সুর পৃথিবীতে আর কোথাও আসবে না” এমন নিশ্চয়তা। কারও বিখ্যাত গানের সুর নকল করা হয় না, কোনো পরিচিত শিল্পীর কণ্ঠ নকল করা হয় না — অনুরোধ করলেও না। ◆ কাদের জন্য ফেসবুকে বিক্রি করেন এমন ব্র্যান্ড যার প্রতিটা ভিডিওতে একটা নিজস্ব শব্দ দরকার; রেস্টুরেন্ট, শোরুম, কোচিং যাদের স্পিকারে নিজের গান বাজবে; পডকাস্ট বা ইউটিউব চ্যানেলের ইন্ট্রো; রেডিও স্পট; আর যেকোনো নতুন ব্র্যান্ড যে প্রথম দিন থেকেই বড়দের মতো শোনাতে চায়। ◆ কীভাবে এগোবে অর্ডারের পর পাঁচটা প্রশ্নের একটা ছোট ফর্ম — ব্র্যান্ডের নাম কীভাবে উচ্চারণ হয়, কী বিক্রি করেন, কাকে, মেজাজ, আর এমন তিনটা গান যেটার ফিল পছন্দ। তারপর লিরিক পাঠাই, আপনি ঠিক করেন, তারপর তিন স্টাইল, তারপর ফাইনাল। লিরিক ঠিক হওয়ার আগে গান বানানো হয় না — শব্দ বদলালে পুরো গান নতুন করে বানাতে হয়, তাই ধাপটা আলাদা।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
লিরিক কে লিখবে?
আমরা — আপনার ব্র্যান্ড, প্রোডাক্ট আর মেজাজ শুনে। নিয়মগুলো ঠিক করা: সহজ শব্দ, কম যুক্তাক্ষর (গাইলে যাতে পরিষ্কার শোনা যায়), ব্র্যান্ডের নাম দুবার, আর একটা শেষ লাইন যেটা মনে থাকে। আপনার নিজের লেখা লিরিক থাকলে সেটাও চলে; তবে গাওয়ার উপযোগী করতে দু-একটা শব্দ বদলাতে হতে পারে, সেটা আগে দেখিয়ে নিই।
কণ্ঠ পুরুষ না নারী, কোন ধরনের?
আপনার পছন্দমতো — পুরুষ, নারী, কোরাস, বা শুধু ইনস্ট্রুমেন্টাল। তিন স্টাইলের অপশনে ইচ্ছে করলে তিন রকম কণ্ঠই রাখতে বলতে পারেন। একটাই সীমা: কোনো পরিচিত শিল্পীর কণ্ঠ নকল করা হয় না।
গানটা কি আমার হবে? অ্যাডে, রেডিওতে চালাতে পারব?
পারবেন — ফেসবুক-ইউটিউব ভিডিও, রেডিও, টিভি, দোকান, ফোন হোল্ড-টোন, সব। আমরা যে পেইড টুলে বানাই তার শর্তে বাণিজ্যিক ব্যবহার অনুমোদিত, আর ফাইলগুলো আপনাকে দিয়ে দেওয়া হয়, আমরা আর ব্যবহার করি না। যেটা কেউ দিতে পারে না: AI-সৃষ্ট সুরের কপিরাইট নিবন্ধন (দেশভেদে নিয়ম আলাদা, আপনার আইনজীবীর কাজ) আর “এই সুর আর কোথাও আসবে না” এমন নিশ্চয়তা। এটা শুরুতেই জানিয়ে রাখা ভালো।
পরিচিত কোনো গানের সুরে বানানো যাবে?
না। অন্যের সুর কপি করা আইনত ঝুঁকি আর নৈতিকভাবে ভুল — দুটোই। “ঐ গানের মতো একটা ফিল” বলতে পারেন, সেটা থেকে মেজাজ বুঝে নতুন সুর বানাই; হুবহু সুর বা পরিচিত শিল্পীর কণ্ঠ — না।
আমাকে কী দিতে হবে?
অর্ডারের পর পাঁচটা প্রশ্নের ফর্ম: ব্র্যান্ডের নাম আর সেটা কীভাবে উচ্চারণ করেন (একটা ভয়েস নোট পাঠালে সবচেয়ে ভালো), কী বিক্রি করেন, কাকে, কী মেজাজ চান, আর এমন দু-তিনটা গানের লিংক যেটার ফিল ভালো লাগে। লোগো বা ছবি লাগে না — এটা শুধু শব্দ।
রিভিশনে কী কী বদলানো যায়?
লিরিক ঠিক হওয়ার আগে যত খুশি — ওটা লেখা, বদলানো সহজ। গান বানানোর পর রিভিশন মানে: টেম্পো, কণ্ঠের ধরন, একটা লাইনের সুর, শেষটা কেমন হবে। লিরিক বদলালে পুরো গান নতুন করে বানাতে হয়, তাই সেটা আলাদা রিভিশন ধরা হয়। এজন্যই লিরিক ধাপটা আলাদা রেখেছি।
কোন ফরম্যাটে পাব?
মিক্স ও মাস্টার করা MP3 (৩২০kbps) ও WAV, ৩০ ও ৬০ সেকেন্ডে ইনস্ট্রুমেন্টাল ভার্সন, ৬০ সেকেন্ডে ভোকাল-মিউজিক আলাদা স্টেম আর ছোট কাটগুলো। রেডিওর জন্য যে স্পেসিফিকেশন লাগে সেটা বললে সেভাবেই এক্সপোর্ট করে দিই।
কত সময় লাগে?
১৫ সেকেন্ড ২ দিন, ৩০ সেকেন্ড ৩ দিন, ৬০ সেকেন্ড ৫ দিন — ফর্ম হাতে পাওয়ার পর থেকে। বাস্তবে সবচেয়ে বেশি সময় যায় লিরিক আপনার ঠিক করতে; সেটা দ্রুত দিলে আগেই পাবেন। তাড়া থাকলে অর্ডারের সময় রাশ অপশন নিন।