প্রিয় মানুষের চেহারা নিয়েই AI মিউজিক ভিডিও - মৌলিক বাংলা গান, বিয়ে ও জন্মদিনের উপহার
এই সার্ভিস সম্পর্কে
আপনার প্রিয় মানুষের মুখ নিয়ে আমরা বানিয়ে দিই একদম নতুন একটা বাংলা গান আর মিউজিক ভিডিও — বিয়ে, জন্মদিন বা বাবা-মায়ের জন্য এমন উপহার, যা সারাজীবন থেকে যায়। ভাবুন, গায়ে হলুদের স্টেজে প্রজেক্টর জ্বলে উঠল। গান শুরু হলো, আর গানের ভিডিওতে নায়ক-নায়িকা অন্য কেউ নয় — আপনারা দুজন। ঘরভর্তি মানুষ এক সেকেন্ড চুপ, তারপর হইচই। আপনি আসলে ওই মুহূর্তটাই কিনছেন। এটা রেডিমেড টেমপ্লেট নয়, বাইরের ফ্রিল্যান্সারের হাতেও যায় না — পুরো কাজটা করে আমাদের নিজের টিম, যারা “পরের স্টেশন” AI শর্ট ফিল্ম বানিয়েছে। ফিল্মটা মিউজিক ভিডিও নয়, তবে চরিত্র, দৃশ্য আর এডিট একই হাতের — এই পেজেই চালিয়ে দেখুন। গিগ নতুন, রিভিউ জমেনি; কাজ দেখিয়েই বলি। অর্ডারের পর কাজ হয় চার ধাপে। ১) আপনার আইডিয়া বা লিরিক ধরে গানের কথা দাঁড় করাই, পড়ে হ্যাঁ বললে তবেই এগোই। ২) সুর ও কণ্ঠ বসিয়ে ডেমো শোনাই। ৩) ছবি থেকে চরিত্র বানিয়ে দৃশ্য সাজাই। ৪) ফাইনাল গানের ভিডিও ফুল এইচডি MP4-এ — ইউটিউবে music video হিসেবে আপলোড করার মতো। অ্যানিভার্সারি, প্রবাসী পরিবারের চমক, ইউটিউব কনটেন্ট বা দোকানের জিঙ্গেল — সব উপলক্ষেই AI মিউজিক ভিডিও হয়। ছবি পাঠানোর নিয়মটা সহজ। অর্ডারের পর অর্ডার পেজের চ্যাটে 📎 বোতাম চেপে সরাসরি ছবি আপলোড করে দিন — একেকটা ফাইল ২৫ MB পর্যন্ত। ছবি অনেক বেশি বা ফাইল বড় হলে Google Drive বা WeTransfer ফোল্ডারের লিংক দিন, নয়তো সাপোর্ট ইমেইলে সাবজেক্টে অর্ডার নম্বর লিখে পাঠান। চেকআউটে “গানের আইডিয়া বা লিরিক” ঘরে আপনার আইডিয়া বা লিরিক লিখুন, “ছবির লিংক” ঘরে ছবির ফোল্ডারের লিংক, আর “গানের মেজাজ” থেকে সুরের ধরনটা বেছে নিন। লিরিক অনেক বড় হলে সংক্ষেপে লিখে বাকিটা অর্ডারের পর চ্যাটে পাঠাবেন। অর্ডার পেজের কাউন্টডাউন শুরু হয় পেমেন্ট নিশ্চিত হওয়ার মুহূর্ত থেকে, তবে ছবি ও আইডিয়া পেতে দেরি হলে সেই সময়টা আমরা হিসাবের বাইরে রাখি — চ্যাটেই জানিয়ে দেব। অনুষ্ঠান সামনে থাকলে হাতে দিন কয়েক রাখুন। যাঁদের ছবি দিচ্ছেন, তাঁদের অনুমতি নিয়ে দেবেন। আপনার গল্পটা বলুন, বাকিটা আমরা দেখছি। 🎬
সাধারণ জিজ্ঞাসা
ছবি আর গানের কথা পাঠাব কীভাবে?
অর্ডার করার পর অর্ডার পেজে যে চ্যাট বক্সটা দেখবেন, তার পাশেই 📎 বোতাম আছে — ওটা চেপে সরাসরি ছবি আপলোড করে দিন, একেকটা ফাইল ২৫ MB পর্যন্ত নেওয়া যায়। ছবির সংখ্যা অনেক বেশি হলে বা ফাইল আরও বড় হলে Google Drive বা WeTransfer ফোল্ডারের লিংক পাঠান; শুধু খেয়াল রাখবেন ফোল্ডারটা যেন লিংক দিয়ে যে কেউ দেখতে পারে সেভাবে শেয়ার করা থাকে। লিংক বানাতে ঝামেলা মনে হলে সাপোর্ট ইমেইলে সাবজেক্টে আপনার অর্ডার নম্বর লিখে ছবিগুলো অ্যাটাচ করে পাঠিয়ে দিন, আমরা ওখান থেকেই নিয়ে নেব। ছবি হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চ্যাটে জানিয়ে দেব যে পেয়েছি।
কেমন ছবি লাগবে, কয়টা?
খুব দামি ক্যামেরা লাগে না, ভালো আলোয় তোলা মোবাইলের ছবিই যথেষ্ট। একেকজনের ৫ থেকে ১০টা পরিষ্কার ছবি দিলে সবচেয়ে ভালো হয় — একটা সোজা সামনের মুখ, একটা পাশ ফেরা, বাকিগুলো আলাদা আলাদা আলোয়। ঝাপসা, অনেক দূর থেকে তোলা বা ভারী ফিল্টার দেওয়া ছবি এড়িয়ে চলুন, কারণ চেহারার মিলটা ঠিক ওখান থেকেই আসে। শুরুতেই যদি বলে দেন কোন ছবিটা “সবচেয়ে আমার মতো”, কাজটা আমাদের জন্য অনেক সহজ হয়ে যায়।
অন্য কারও ছবি পাঠাতে পারব? স্ত্রী বা বাবা-মাকে সারপ্রাইজ দিতে চাই।
পারবেন, শুধু একটা কথা — যাঁদের ছবি পাঠাচ্ছেন, তাঁদের অনুমতি আপনার নেওয়া থাকতে হবে; নিজের, পরিবারের বা বন্ধুর ছবি হলে সাধারণত মুখের কথাতেই হয়ে যায়, আলাদা কোনো কাগজপত্র লাগে না। সারপ্রাইজ দিতে চাইলেও নিয়মটা একই — যাঁর মুখ ভিডিওতে থাকবে, তিনি যেন আপত্তি না করেন, এটুকু আপনি দেখে নেবেন। শিশুর ছবি হলে বাবা-মা বা অভিভাবকের অনুমতিই যথেষ্ট, আর অচেনা কারও, তারকা বা রাজনৈতিক ব্যক্তির চেহারা নিয়ে আমরা কাজ করি না। আপনার পাঠানো ছবি শুধু আপনার এই কাজেই ব্যবহার হয়, অন্য কোথাও নয়।
ডেলিভারির দিন কবে থেকে গোনা শুরু হয়?
অর্ডার পেজের কাউন্টডাউন চালু হয় পেমেন্ট নিশ্চিত হওয়ার মুহূর্ত থেকে, কিন্তু আমাদের আসল হিসাব শুরু হয় ছবি আর গানের আইডিয়া হাতে পাওয়ার দিন থেকে; অর্ডারের দিনই ছবি পাঠিয়ে দিলে দুটো তারিখ মিলে যায়। আপনার সায়ের অপেক্ষায় যে সময়টা যায়, সেটাও দিনের হিসাবে ধরা হয় না — আপনি উত্তর দিলেই ঘড়ি আবার চলে। বিয়ে বা জন্মদিনের অনুষ্ঠান সামনে থাকলে অন্তত দুই-তিন দিন হাতে রেখে অর্ডার করুন, তাড়াহুড়োয় ভালো গান হয় না। কোনো কারণে দেরি হলে চ্যাটে আগেই জানিয়ে দেব, চুপ করে থাকব না।
টাকা তো আগেই দিতে হচ্ছে — ছবি পাঠাতে দেরি হলে বা বাতিল করলে কী হয়?
অর্ডারের পর ছবি বা আইডিয়া না পেলে আমরা চ্যাটে মনে করিয়ে দেব আর কাজটা অপেক্ষায় রাখব, তাড়াহুড়ো করে ভুল কিছু বানাব না। গানের কথা লেখা শুরু হওয়ার আগে বাতিল করতে চাইলে পুরো টাকা ফেরত পাবেন। লেখা আর সুরের কাজ শুরু হয়ে গেলে কী করা যায় সেটা চ্যাটেই আলোচনা করে ঠিক করি — বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা কাজটা শেষ করে দিই। নির্দিষ্ট কোনো তারিখের মধ্যে দরকার হলে অর্ডারের সময়ই লিখে দিন — সম্ভব কি না আমরা শুরুতেই পরিষ্কার করে বলে দেব।
গানের কথা কি আমি নিজে লিখে দিতে পারি? চেকআউটে কী লিখব?
অবশ্যই পারেন। চেকআউটের “আপনি কী চান? (বিস্তারিত)” ঘরে লিখুন কার জন্য গান, উপলক্ষ কী, কোন কথা বা স্মৃতিটা থাকা চাই — নিজের লেখা লিরিক থাকলে সেটাই হুবহু পেস্ট করে দিন, আমরা সেটাতেই সুর বসাব। লিংকের ঘরে দিন ছবির ফোল্ডারের লিংক, আর টোনের ঘরে বেছে নিন গানটা কেমন মেজাজের হবে। লিরিক ২০০০ অক্ষরের বেশি হলে ঘরটায় ধরবে না, তখন শুধু “লিরিক চ্যাটে দিচ্ছি” লিখে অর্ডারের পর চ্যাটে পাঠিয়ে দিন — চ্যাটে জায়গা অনেক বেশি।
ভিডিওতে কি সত্যিই আমাদের চেহারা চেনা যাবে?
খুব কাছাকাছি হয়, তবে ব্যাপারটা ভালো একটা পোর্ট্রেট আঁকার মতো — ফটোকপি নয়। পরিষ্কার ছবি পেলে দেখেই চেনা যায়, তবে সৎভাবে বলি, এটা AI দিয়ে তৈরি শিল্প, ক্যামেরায় তোলা ফুটেজ নয়; দু-এক জায়গায় চেহারা সামান্য এদিক-ওদিক লাগতে পারে। প্রথম ড্রাফট দেখে আপনি মতামত দিলে রিভিশনে মিলটা আরও ঠিক করে নেওয়া যায়। আমাদের কাজের মান কেমন, সেটা এই পেজের “পরের স্টেশন” ফিল্মটা চালিয়ে দেখলেই বুঝে যাবেন।
ফাইনাল ভিডিও পছন্দ না হলে কী হয়?
এই ঝুঁকিটা কমানোর জন্যই কাজটা ধাপে ধাপে সায় নিয়ে এগোয় — লিরিক আর ডেমো পছন্দ না হলে আমরা ফাইনাল ভিডিও পর্যন্ত যাই না। এরপরও রিভিশন আছে; কোন প্যাকেজে কয়বার, সেটা প্যাকেজের সঙ্গেই লেখা আছে। আর ভুলটা যদি আমাদের হয়, যেমন ভুল চেহারা, ভুল বানান বা আপনি সায় দেননি এমন কিছু, সেটা রিভিশনের হিসাবের বাইরে বিনা খরচে ঠিক করে দিই।
গানটা কার কণ্ঠে গাওয়া, আর কপিরাইটের ঝামেলা হবে না তো?
গান পুরোপুরি নতুন — কোনো চলতি গানের ট্র্যাক বা কারও রেকর্ডিং আমরা ব্যবহার করি না, কথা, সুর আর কণ্ঠ সবই আপনার জন্য নতুন করে বানানো হয়। কণ্ঠটাও AI দিয়ে তৈরি, তবে বাংলা উচ্চারণ আর আবেগটা ঠিক আছে কি না সেটা আমরা হাতে ধরে মিলিয়ে দিই; ডেমো শুনে পছন্দ না হলে গলা বা মেজাজ বদলে দেওয়া যায়। যেহেতু কারও রেকর্ডিং ব্যবহার হয় না, আমাদের দিক থেকে কপিরাইট সমস্যার কারণ থাকে না — ফেসবুক বা ইউটিউবে কেউ ক্লেইম করলে আমরা লিখিতভাবে জানাব গানটা আমাদের বানানো, আর ক্লেইম ছাড়াতে সাহায্য করব।
কোন প্যাকেজটা আমার জন্য ঠিক, আর দামটা এত কেন?
একজন মানুষকে ঘিরে গান — যেমন মায়ের জন্মদিন বা বন্ধুর সারপ্রাইজ — হলে বেসিক যথেষ্ট; বর-কনে, স্বামী-স্ত্রী বা দুই বন্ধুর গল্প হলে স্ট্যান্ডার্ড নিন, ৬০ সেকেন্ডে গল্প বলার জায়গা থাকে; পুরো পরিবার, তিন চরিত্র বা স্টেজে দেখানোর মতো পূর্ণ গান চাইলে প্রিমিয়াম। দামটা একটা ভিডিও এডিটের নয়, একটা গান তৈরির — কথা লেখা, সুর, কণ্ঠ, মিক্স, তারপর আপনার চেহারা দিয়ে দৃশ্য বানানো আর এডিট, সবই এর ভেতরে। বিয়ের এক সন্ধ্যার ডেকোরেশন বা এক দিনের ফটোগ্রাফির খরচের পাশে রেখে দেখলে হিসাবটা সহজ হয়ে যায়। তৈরি ভিডিও আর গান আপনার — ফেসবুক, ইউটিউব, রিল, অনুষ্ঠানের স্ক্রিন বা দোকানের বিজ্ঞাপন, যেখানে খুশি চালাতে পারবেন, আর আপনি নিজে না বললে আমরা সেটা নিজেদের প্রচারে ব্যবহার করি না।