আপনার চেহারা-কণ্ঠে AI প্রেজেন্টার ভিডিও — একবার ট্রেইন, তারপর স্ক্রিপ্ট দিলেই ভিডিও

এই সার্ভিস সম্পর্কে
আপনার নিজের চেহারা আর কণ্ঠ একবারই ট্রেইন করে AI প্রেজেন্টার বানিয়ে দিই — তারপর শুধু স্ক্রিপ্ট দিলেই আপনি বলছেন এমন নতুন ভিডিও, ক্যামেরার সামনে না দাঁড়িয়েই। কোর্সের লেসন, অফিসের সাপ্তাহিক আপডেট, প্রোডাক্টের ব্যাখ্যা, অ্যাডের প্রেজেন্টার — সব জায়গায় “আপনি বলছেন” ভিডিও সবচেয়ে বেশি কাজ করে, আর সবচেয়ে কম বানানো হয়। কারণ প্রতিবার লাইট, ক্যামেরা, তিনবার রিটেক, তারপর এডিট। এখানে ঐ কাজটা একবার হয়। তারপর প্রতিটা ভিডিও শুধু স্ক্রিপ্ট। ◆ কী করে দিই আপনার ফোনে রেকর্ড করা দুই মিনিটের একটা ভিডিও (কীভাবে করবেন, ধাপে ধাপে বলে দিই) থেকে আপনার AI অ্যাভাটার ট্রেইন করি, আর আপনার কণ্ঠের স্যাম্পল থেকে ভয়েস। তারপর স্ক্রিপ্ট — আপনার লেখা বা আমাদের লেখা — থেকে ভিডিও বানাই: আপনি বলছেন, ঠোঁট মিলছে, নিচে সাবটাইটেল, আপনার লোগো-রঙে লোয়ার-থার্ড, দরকারে মাঝে স্লাইড বা B-roll। প্রিমিয়ামে অ্যাভাটার আর ভয়েস আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে বসিয়ে দিই আর একটা সেশনে শিখিয়ে দিই — এরপর ভিডিও আপনি নিজেই বানাবেন, আমাদের ছাড়া। ◆ কাদের জন্য কোর্স-ট্রেইনার যাদের পঞ্চাশটা লেসন বানাতে হবে; কোম্পানির প্রধান যিনি টিমকে প্রতি সপ্তাহে দুই মিনিটের আপডেট দিতে চান কিন্তু শুট করার সময় নেই; ডাক্তার, আইনজীবী, কনসালট্যান্ট যারা ফেসবুকে নিজের মুখে কথা বলতে চান নিয়মিত; আর যেকোনো ব্র্যান্ড যার একজন নির্দিষ্ট প্রেজেন্টার দরকার প্রতিটা ভিডিওতে। ◆ যা সৎভাবে বলে রাখা দরকার এক: শুধু আপনার নিজের চেহারা-কণ্ঠ, বা যার চেহারা তার লিখিত অনুমতিসহ। অন্য কারও মুখ বা কণ্ঠ দিয়ে ভিডিও বানানো হয় না — অনুরোধ করলেও না। দুই: বাংলায় ঠোঁট মেলানো এখন ভালো, নিখুঁত না; শান্ত ব্যাখ্যামূলক ভিডিওতে চমৎকার লাগে, আবেগে ফেটে পড়া অভিনয়ে না। কোন কাজে মানাবে আর কোনটায় আসল শুট ভালো, অর্ডারের আগে চ্যাটে জিজ্ঞেস করুন, সোজা বলে দেব। তিন: দর্শককে লুকানো হয় না — চাইলে ভিডিওর কোণায় “AI প্রেজেন্টার” লেখা রাখি, আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেটা রাখাই ভালো। ◆ কী লাগবে আপনার ফোনে দুই মিনিটের একটা ভিডিও ভালো আলোয়, সোজাসুজি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে (নির্দেশনা দিই), এক মিনিটের পরিষ্কার কণ্ঠের স্যাম্পল, আপনার লোগো ও রঙ, আর স্ক্রিপ্ট — নিজে লিখুন বা অ্যাড-অনে আমরা লিখি। প্রিমিয়ামে অ্যাভাটার-টুলের একটা অ্যাকাউন্ট আপনার নামে লাগে, তার মাসিক খরচ আমাদের ফি-র বাইরে; কোনটা নিলে সাশ্রয়ী, অর্ডারের পর দেখাই। ◆ কীভাবে এগোবে অর্ডারের পর প্রথমে রেকর্ডিংয়ের নির্দেশনা পাঠাই, আপনার ভিডিও পেয়ে অ্যাভাটার ট্রেইন করি, আর প্রথম ৩০ সেকেন্ডের একটা টেস্ট দেখাই — আপনি ঠিক বললে তারপর পুরো ভিডিও। ঐ টেস্টটাই আসল সিদ্ধান্তের জায়গা: নিজেকে দেখে পছন্দ না হলে সেখানেই থামা যায়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
আমাকে কী রেকর্ড করে দিতে হবে?
ফোনে দুই মিনিটের একটা ভিডিও — দিনের আলোয় বা ভালো লাইটে, ক্যামেরার দিকে সোজা তাকিয়ে, স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে বলতে, মাঝে মাঝে থেমে। আর এক মিনিটের পরিষ্কার কণ্ঠের অডিও, চারপাশে শব্দ ছাড়া। অর্ডারের পর ঠিক কী বলবেন আর কীভাবে ধরবেন তার একটা এক-পাতার নির্দেশনা পাঠাই; এটা ঠিকমতো করলেই অ্যাভাটারের মানের ৮০% ঠিক হয়ে যায়।
কণ্ঠ কি আমার হবে, নাকি AI-র?
আপনার স্যাম্পল থেকে ট্রেইন করা আপনার কণ্ঠ — মানে আপনি কখনো বলেননি এমন কথাও আপনার গলায় শোনা যাবে। চাইলে এর বদলে একটা প্রফেশনাল AI কণ্ঠ ব্যবহার করা যায়, কেউ কেউ সেটাই পছন্দ করেন। কোনটা নেবেন অর্ডারের পর ঠিক করলেই হয়, দুটোই একই দামে।
অন্য কারও চেহারা দিয়ে বানানো যাবে?
না। শুধু আপনার নিজের, বা যার চেহারা-কণ্ঠ তার লিখিত অনুমতি থাকলে তার — যেমন আপনার কোম্পানির একজন প্রেজেন্টার যিনি নিজে রাজি। সেলিব্রিটি, প্রতিযোগী, বা “ইন্টারনেট থেকে নেওয়া” কারও মুখ দিয়ে ভিডিও বানানো হয় না, বাড়তি টাকা দিলেও না। এটা আমাদের নিয়ম, আর টুলগুলোরও।
বাংলায় কতটা স্বাভাবিক লাগে?
শান্ত, ব্যাখ্যামূলক কথায় — লেসন, আপডেট, প্রোডাক্ট বর্ণনা — খুব ভালো লাগে, আর ঠোঁটের মিল বেশিরভাগ দর্শক খেয়ালই করে না। যেখানে কম ভালো লাগে: জোরে হাসা, চিৎকার, খুব দ্রুত কথা, আর আবেগের অভিনয়। সেগুলো আপনার আসল শুটেই ভালো। প্রথম ৩০ সেকেন্ডের টেস্ট দেখেই আপনি নিজে বুঝবেন — সেটা দেখার পরেই পুরো কাজ শুরু হয়।
আমার কি কোনো অ্যাকাউন্ট বা মাসিক খরচ লাগবে?
বেসিক ও স্ট্যান্ডার্ডে না — আমরা আমাদের টুলে বানিয়ে ফাইল দিই। প্রিমিয়ামে অ্যাভাটার আর ভয়েস আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে বসিয়ে দিই যাতে এরপর আপনি নিজেই ভিডিও বানাতে পারেন; ঐ অ্যাকাউন্টের মাসিক খরচ আপনার, আমাদের ফি-র বাইরে। সেটা ইচ্ছাকৃত — অ্যাভাটারটা আপনার, আমাদের কাছে আটকে থাকার কোনো কারণ নেই।
স্ক্রিপ্ট আমি লিখব, নাকি আপনারা?
বেসিকে আপনার লেখা স্ক্রিপ্ট; স্ট্যান্ডার্ড থেকে আপনার খসড়া আমরা পলিশ করে দিই — বলার মতো করে, ছোট বাক্যে। পুরোটা আমাদের দিয়ে লেখাতে চাইলে অ্যাড-অনে আছে; সেক্ষেত্রে ভিডিওটা কাকে, কী বোঝাতে, এক প্যারায় লিখে দিলেই হয়। এক মিনিটের ভিডিওতে মোটামুটি ১৩০-১৫০ শব্দ ধরে।
ডেলিভারির পর ছোট বদল লাগলে?
একটা শব্দ বা বাক্য বদলাতে হলে পুরো ভিডিও নতুন করে বানাতে হয় না — ঐ অংশটুকু আবার জেনারেট করে বসিয়ে দিই, সেটা রিভিশনেই পড়ে। প্রিমিয়ামে যেহেতু অ্যাভাটার আপনার হাতে, ছোট বদল আপনি নিজেই করতে পারবেন; সেশনে এটাই দেখাই।
কী ধরনের ভিডিওতে এটা সবচেয়ে ভালো কাজ করে?
কোর্সের লেসন, অনবোর্ডিং ভিডিও, সাপ্তাহিক টিম-আপডেট, প্রোডাক্ট ওয়াকথ্রু, FAQ ভিডিও, ফেসবুকে নিয়মিত পরামর্শ — যেখানে একই মুখ বারবার লাগে আর প্রতিবার শুট করা সম্ভব না। যেখানে ভালো কাজ করে না: আবেগঘন ব্র্যান্ড-ফিল্ম, লোকেশন-শুট, অ্যাকশন। ওগুলোর জন্য আমাদের অন্য গিগ আছে, বা আসল ক্যামেরা।
এই ধরনের আরও সার্ভিস
দ্রুত ডেলিভারিভিডিও টু রিটেন ট্রান্সক্রিপ্ট — বাংলা ও ইংরেজি, নির্ভুল টাইপিং
ট্রেন্ডিংশর্ট AI প্রোমো ভিডিও — সোশ্যাল মিডিয়া ও রিলসের জন্য
প্রিমিয়াম