পূর্ণাঙ্গ AI কমার্শিয়াল — স্ক্রিপ্ট, মৌলিক গান, ভয়েস, AI ফুটেজ ও এডিট, ৩০/৬০/৯০ সেকেন্ডে

এই সার্ভিস সম্পর্কে
আপনার ব্যবসার জন্য একটা পূর্ণাঙ্গ AI কমার্শিয়াল — স্ক্রিপ্ট, মৌলিক গান, ভয়েস, AI ফুটেজ আর এডিট, এক টিমের হাতে। ৩০, ৬০ বা ৯০ সেকেন্ড, ৩ থেকে ৭ দিনে হাতে পান। একটা ভিডিও অ্যাড বানাতে সাধারণত চারজন মানুষ লাগে: স্ক্রিপ্ট-লেখক, সুরকার, ভয়েস আর্টিস্ট আর এডিটর। চারজনকে বোঝানো, সময় মেলানো, মাঝপথে একজন হারিয়ে গেলে থেমে যাওয়া — এই ঝামেলাতেই বেশিরভাগ ছোট ব্যবসার কমার্শিয়ালটা আর বানানোই হয় না। এখানে পুরো কাজটা এক টেবিলে, একই টিমের হাতে। ◆ কী করে দিই ছয় ধাপের পাইপলাইন, ক্রমটা বাঁধা: স্ক্রিপ্ট, গান, ভয়েস, স্টিল ইমেজ, মোশন ফুটেজ, তারপর এডিট। স্ক্রিপ্টে হুক, বেনিফিট আর কল-টু-অ্যাকশন — আপনি পড়ে ঠিক বলার পরেই বাকি কাজ শুরু হয়। গানটা আপনার ব্র্যান্ডের জন্য নতুন বানানো, স্টক লাইব্রেরির নয় — ৩০ সেকেন্ডে শেষে গাওয়া এক লাইনের ব্র্যান্ড-ট্যাগ, ৬০-এ গাওয়া কোরাস, ৯০-এ পূর্ণ গান। ভয়েস বাংলা বা ইংরেজি, কণ্ঠ আপনি বাছেন। ফুটেজ AI-তে জেনারেট করা, প্রোডাক্ট-লোগোর আসল ছবি এডিটে বসানো। শেষে ক্যাপশন, এন্ড-কার্ড, এক্সপোর্ট। এই ক্রমটাই আমাদের বই ‘আমি যেভাবে AI চালাই’-এর অধ্যায় ১৭-র ‘Ride Rent’ কেস — সিলেটের একটা ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের দিনব্যাপী ওয়ার্কশপে, ৩০-এর বেশি শিক্ষার্থীর সামনে, পর্যটকদের বাইক ভাড়া দেওয়া একটা আসল ব্যবসার ৩০ সেকেন্ডের কমার্শিয়াল, এক দিনেই। এক দিনে বানানো যায়; অনলাইনে অনুমোদনের ধাপ থাকে বলে ৩০ সেকেন্ডের জন্য আমরা তিন দিন রাখি — দ্রুত উত্তর দিলে আগেই পাবেন। ◆ তিনটা দৈর্ঘ্য ৩০ সেকেন্ড — একটা অফার, একটা ফরম্যাট; ফেসবুক বুস্ট বা ইউটিউব প্রি-রোলের জন্য। ৬০ সেকেন্ড — গল্প বলার জায়গা থাকে; ১৬:৯ আর ৯:১৬ দুই কাট, সাথে ১৫ সেকেন্ডের টিজার। ৯০ সেকেন্ড — ক্যাম্পেইন সেট: মাস্টার, ৩০ ও ১৫ সেকেন্ডের কাট, তিনটাই ১৬:৯, ৯:১৬ ও ১:১ ফরম্যাটে, গানের স্টেমসহ সব সোর্স ফাইল। ৬০ আর ৯০ সেকেন্ডে কাজ শুরুর আগে একটা ধাপ বেশি: কী কী বানানো হবে — দৃশ্য, কাট, ফরম্যাট — লিখে দুজনে মিলিয়ে নিই (৯০-এ তার আগে ৩০ মিনিটের কল), তারপর বানানো শুরু। দ্বিতীয় ফরম্যাটের কাট আর গান-ভয়েসের আলাদা ফাইলের অ্যাড-অন ছোট প্যাকেজের জন্য; বড় প্যাকেজে এগুলো আগেই আছে, আলাদা করে নেবেন না। ◆ কাদের জন্য যাদের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস আছে, বুস্ট করার বাজেট আছে, কিন্তু শুটিং ইউনিট ডাকার বাজেট বা সময় নেই: ই-কমার্স পেজ, রেস্টুরেন্ট, কোচিং, রিয়েল এস্টেট প্রজেক্ট, অ্যাপ, ট্রাভেল এজেন্সি, আর যে এজেন্সির ক্লায়েন্টের জন্য দ্রুত একটা কমার্শিয়াল দরকার। স্ক্রিপ্ট-অনুমোদন আর মৌলিক গান ছাড়া ট্রেন্ডি মিউজিক-ট্রানজিশনের একটা রিল লাগলে “শর্ট AI প্রোমো ভিডিও”; প্রোডাক্টের সাধারণ প্রোমো লাগলে “AI দিয়ে প্রোডাক্ট প্রোমোশনাল ভিডিও”; অফার নয়, কোম্পানির পরিচয় তুলে ধরতে “কর্পোরেট প্রোফাইল ভিডিও”; শুধু গান লাগলে “বাংলা ব্র্যান্ড জিঙ্গেল”, শুধু ভয়েস লাগলে “AI ভয়েসওভার”, নিজের মুখে বলা ভিডিও লাগলে “AI প্রেজেন্টার ভিডিও” — ওগুলো আলাদা গিগ, সস্তাও। এখানে ৩০ সেকেন্ডেও যা নিশ্চিত: আগে স্ক্রিপ্ট আপনার অনুমোদনে, আপনার ব্র্যান্ডের জন্য নতুন বানানো গান, AI-দৃশ্যে আপনার আসল প্রোডাক্ট-ছবি, আর AI-উপাদানের তালিকা। ◆ যা সৎভাবে বলে রাখা দরকার ফুটেজ AI-জেনারেটেড — আপনার দোকানের ভেতর বা কর্মীদের হুবহু দেখাবে না; প্রোডাক্ট দেখাতে আপনার আসল ছবি বসাই, AI-কে প্রোডাক্ট আঁকতে দিই না। গান আর ভয়েস AI-তে বানানো, সেটা লুকাই না — ডেলিভারির সাথে AI-উপাদানের তালিকা দিই, প্ল্যাটফর্মের AI-লেবেল নিয়ম মানতে বলি। গানের সুর আর কথা আপনার জন্য নতুন, কিন্তু AI-তে বানানো গানের কপিরাইট-নিবন্ধন দেশভেদে অনিশ্চিত, আর “এই সুর আর কোথাও আসবে না” — এমন নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না। বাংলা AI ভয়েস আর গানে ব্র্যান্ডের নাম বা অচেনা শব্দের উচ্চারণ প্রথম টেকে সবসময় ঠিক আসে না, তাই ব্রিফের সাথে নামের উচ্চারণটা একবার ভয়েস মেসেজে বলে দিলে ভালো হয়। কারও চেহারা বা কণ্ঠ শুধু লিখিত সম্মতিতে; সেলিব্রিটির নকল নয়; স্ক্রিপ্টে বানানো রিভিউ বা অপ্রমাণিত দাবি নয়, AI চরিত্রকে গ্রাহক সাজিয়ে প্রশংসা বলানোও নয়। আর ভিডিওটা কত ভিউ বা বিক্রি আনবে সেটা আমাদের হাতে নেই — সেটা অফার, টার্গেটিং আর বাজেটের কাজ। ◆ কীভাবে এগোবে অর্ডারের পর প্রথম মেসেজে ছোট একটা ব্রিফ ফর্ম যায়: কী বিক্রি করেন, কাকে, অফারটা কী, কল-টু-অ্যাকশন কী, আর প্রোডাক্ট-লোগোর ছবি। ২৪ ঘণ্টায় স্ক্রিপ্ট আর শট-লিস্ট পাঠাই (৯০ সেকেন্ডে স্কোপ-কলের পরের ২৪ ঘণ্টায়); আপনি ঠিক বললে গান আর ভয়েসের অপশন যায়; বাছাই হলে ফুটেজ আর এডিট। শেষে ফাইনাল ভিডিও আর AI-উপাদানের তালিকা একসাথে হ্যান্ডওভার। দিনের হিসাব শুরু হয় পেমেন্টের পর থেকে; ব্রিফ, ছবি বা অনুমোদন পাঠাতে যত দিন দেরি হয়, ডেলিভারিও তত দিন পিছোয়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
আমাকে কী কী দিতে হবে?
পাঁচটা জিনিস: কী বিক্রি করেন আর কাকে, এবারের অফারটা ঠিক কী, ভিডিও দেখে মানুষ কী করবে (কল, মেসেজ, ওয়েবসাইট), প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের আসল ছবি কয়েকটা, আর লোগো। প্রমাণ হিসেবে দেখানোর মতো আসল তথ্য থাকলে — কতজন গ্রাহক, অনুমতিসহ কোনো রিভিউ — সেটাও দিন; না থাকলে স্ক্রিপ্টে প্রমাণের জায়গায় অফারটাই থাকবে। ব্র্যান্ডের রং বা আগের কোনো ভিডিও থাকলে সেটাও কাজে লাগে। গুছিয়ে লিখতে না পারলে ভয়েস মেসেজে বলে দিন, ব্রিফটা আমরা লিখে আপনাকে দেখিয়ে নিই — সেই সাথে ব্র্যান্ডের নামটা কীভাবে উচ্চারণ করেন সেটাও একবার বলে দিন। প্রোডাক্টের ছবি যত পরিষ্কার হবে, এডিটে সেটা তত ভালো বসে।
কত সময় লাগে, আর এক দিনে কি সত্যিই হয়?
৩০ সেকেন্ড ৩ দিন, ৬০ সেকেন্ড ৫ দিন, ৯০ সেকেন্ড ৭ দিন — দিনের হিসাব শুরু হয় পেমেন্টের পর থেকে, আর ব্রিফ, ছবি বা অনুমোদন পাঠাতে যত দিন দেরি হয়, ডেলিভারিও তত দিন পিছোয়। বইয়ের কেসে কমার্শিয়ালটা এক দিনেই হয়েছিল, কারণ সব সিদ্ধান্ত রুমেই সাথে সাথে হচ্ছিল — ভয়েসটাও বাছা হয়েছিল রুমের ভোটে, কারও উত্তরের অপেক্ষা ছিল না। অনলাইনে স্ক্রিপ্ট-অনুমোদন আর গান-ভয়েস বাছাইয়ে আপনার উত্তর লাগে, আর সবচেয়ে বেশি সময় ওখানেই যায়, বানাতে নয়; দ্রুত উত্তর দিলে আগেই পাবেন। রিভিশন আসে ডেলিভারির পরে, এই দিনগুলোর বাইরে। তাড়া থাকলে রাশ নিন: ৩০ সেকেন্ড ২ দিনে, ৬০ সেকেন্ড ৩ দিনে, ৯০ সেকেন্ড ৪ দিনে — শর্ত একটাই, স্ক্রিপ্ট আর গান-ভয়েসের অপশন যেদিন পাঠাই সেদিনই উত্তর দেবেন।
রিভিশনে কী কী ধরা হয়?
স্ক্রিপ্ট আপনি অনুমোদন করার পরেই গান, ভয়েস আর ফুটেজ বানানো হয়; তাই রিভিশন মানে অনুমোদিত স্ক্রিপ্টের ভেতরে বদল — কোনো শট বদলানো, ক্যাপশনের বানান বা টাইমিং, ভয়েসের গতি, গানের ভলিউম, এন্ড-কার্ডের তথ্য, রং। রিভিশন রাউন্ড ৩০ সেকেন্ডে ১টা, ৬০-এ ২টা, ৯০-এ ৩টা। স্ক্রিপ্টই বদলে ফেলা, নতুন অফার ঢোকানো বা ভয়েস অন্য ভাষায় নেওয়া — সেগুলো নতুন কাজ, অ্যাড-অন বা আলাদা হিসাবে যায়। ভুলটা আমাদের হলে (ভুল দাম, ভুল বানান) সেটা রিভিশনে গোনা হয় না, এমনিই ঠিক করি। স্ক্রিপ্ট অনুমোদনের আগে দুবার পর্যন্ত নতুন করে লিখে দিই, আর গান বা ভয়েসের অপশনগুলোর একটাও পছন্দ না হলে আরেক সেট বানাই — এগুলো রিভিশনে গোনা হয় না, কারণ তখনো ভিডিও বানানো শুরুই হয়নি।
আপনাদের ফি-র বাইরে কোনো খরচ আছে?
গান, ভয়েস আর ফুটেজ আমরা নিজেদের পেইড AI অ্যাকাউন্টে বানাই, সেটা ফি-র ভেতরেই। ফি-র বাইরে তিনটা জিনিস: বুস্ট বা অ্যাড বাজেট — সেটা সরাসরি আপনার অ্যাড অ্যাকাউন্টে যায়; পেশাদার মানুষের কণ্ঠে ভয়েস চাইলে সেই শিল্পীর ফি; আর প্রোডাক্টের নতুন ফটোশুট লাগলে সেটা। চাইলে গান আর ভয়েস আপনার নিজের নামের Suno বা ElevenLabs অ্যাকাউন্টে বানিয়ে দিই — তখন সেই সাবস্ক্রিপশনের খরচ আপনার, বিনিময়ে প্রজেক্ট ফাইলগুলো চিরকাল আপনার অ্যাকাউন্টেই থাকে, আমাদের সাথে আর কাজ না করলেও। কোথায় কত পড়বে, অর্ডারের পর প্রথম মেসেজেই লিখে দিই।
কাদের এটা না নেওয়াই ভালো?
যাদের দরকার আপনার আসল দোকান, কারখানা বা কর্মীদের ক্যামেরায় তোলা ফুটেজ — AI সেটা হুবহু দেয় না, তাদের শুটিং ইউনিটই লাগবে। যারা কোনো পরিচিত মুখ বা সেলিব্রিটির চেহারা-কণ্ঠ চান — সেটা আমরা করি না। যাদের ৩০ সেকেন্ডের ভিডিও দরকার কিন্তু স্ক্রিপ্ট-অনুমোদন, মৌলিক গান বা আসল প্রোডাক্ট-ছবি বসানো নিয়ে মাথাব্যথা নেই — ট্রেন্ডি মিউজিক আর টেক্সট-অ্যানিমেশনেই কাজ চলে — তাদের জন্য “শর্ট AI প্রোমো ভিডিও” অনেক সস্তা, আর সেটাই ঠিক কেনা। আর যারা ভাবছেন একটা ভিডিওই বিক্রি এনে দেবে — ভিডিও অফারটা দেখায়, বিক্রি আনে অফার, টার্গেটিং আর বাজেট; সেই গ্যারান্টি আমরা দিই না, কেউ দিলে সন্দেহ করবেন।
AI দিয়ে বানানো — সেটা কি বলতে হবে?
আমরা বলি, আর আপনাকেও বলতে বলি। গান আর ভয়েস AI-জেনারেটেড, ফুটেজের বড় অংশও; ডেলিভারির সাথে কোন উপাদান AI-তে বানানো তার তালিকা দিই, যাতে ফেসবুক বা ইউটিউবে AI-কনটেন্ট লেবেল দেওয়ার সময় আপনি ঠিকঠাক দিতে পারেন। ভিডিওতে আসল মানুষের চেহারা বা কণ্ঠ ঢোকে শুধু তার লিখিত সম্মতিতে — আপনার নিজের হলে ভালো, অন্য কারও হলে সম্মতিপত্র লাগবে। স্ক্রিপ্টে বানানো কাস্টমার-রিভিউ, ভুয়া সংখ্যা বা প্রতিযোগীকে নাম ধরে ছোট করা — এগুলো লিখি না, অনুরোধ করলেও না।
আমার প্রোডাক্ট বা দোকান কি হুবহু দেখাবে?
প্রোডাক্ট দেখাবে, কারণ সেটা আমরা আপনার আসল ছবি থেকে এডিটে বসাই — AI-কে আপনার প্রোডাক্ট আঁকতে দিই না, কারণ AI প্যাকেটের লেখা, লোগো আর সঠিক আকৃতি প্রায়ই ভুল করে। দোকানের ভেতর, রাস্তা, মানুষ, আবহ — এগুলো AI-জেনারেটেড, মানে ‘এরকম একটা জায়গা’, আপনার জায়গাটা নয়। ৬০ আর ৯০ সেকেন্ডে একই চরিত্র বা লোকেশন ভিডিওজুড়ে একরকম রাখতে রেফারেন্স ইমেজ ধরে কাজ করি, তবু কোনো শটে সামান্য অমিল থাকতে পারে; ডেলিভারির আগে ফ্রেম ধরে ধরে দেখি, আর যেটা ঠিক হচ্ছে না সেটা বাদ দিই।
“AI দিয়ে প্রোডাক্ট প্রোমোশনাল ভিডিও” গিগের সাথে পার্থক্য কী, ওখানে তো কম দামে লম্বা ভিডিও হয়?
ওই গিগে দাম দৈর্ঘ্য আর ভ্যারিয়েন্ট ধরে — ভয়েসওভার, মিউজিক, ক্যাপশনসহ একটা প্রোমো, দ্রুত আর কম খরচে। এখানে দাম পাইপলাইনের: প্রতিটা টায়ারে আগে স্ক্রিপ্ট লিখে আপনার অনুমোদন নিয়ে তবেই বাকি কাজ, গান আপনার ব্র্যান্ডের জন্য নতুন বানানো (স্টক বা ট্রেন্ডি লাইব্রেরির নয়), AI-তে জেনারেট করা দৃশ্যে আপনার আসল প্রোডাক্ট-ছবি বসানো, আর ডেলিভারির সাথে AI-উপাদানের তালিকা; ৬০ আর ৯০ সেকেন্ডে এর উপর একাধিক কাট ও টিজার, আর ৯০-এ গানের স্টেমসহ সব সোর্স ফাইল। আপনার কাছে যদি দৈর্ঘ্যই আসল — স্ক্রিপ্ট, মৌলিক গান বা সোর্স ফাইল দরকার নেই — তাহলে ওই গিগই ভালো কেনা। শুধু গান চাইলে “বাংলা ব্র্যান্ড জিঙ্গেল”, নিজের মুখে বলা ভিডিও চাইলে “AI প্রেজেন্টার ভিডিও” — ওগুলো আলাদা গিগ, আলাদা অর্ডারে নিতে হয়; এক চেকআউটে এই কমার্শিয়ালের সাথে জোড়া যায় না।
ভিডিও আর গান কি আমি বিজ্ঞাপনে, ইউটিউবে বা টিভিতে চালাতে পারব?
পারবেন। গান, ভয়েস আর ফুটেজ আমরা পেইড AI অ্যাকাউন্টে বানাই, যেগুলোর শর্তে বাণিজ্যিক ব্যবহার চলে; ফাইনাল ভিডিও ফেসবুক-ইউটিউব অ্যাড, ওয়েবসাইট, দোকানের স্ক্রিন বা ইভেন্টে যেখানে খুশি চালান, আলাদা লাইসেন্স ফি নেই। দুটো সৎ সতর্কতা: AI-তে বানানো গানের কপিরাইট-মালিকানা নিয়ে আইন এখনো পরিষ্কার নয়, তাই কেউ হুবহু নকল করলে আটকানোর আইনি জোর সীমিত হতে পারে; আর টিভি চ্যানেলে সম্প্রচার করতে চাইলে চ্যানেলের টেকনিক্যাল স্পেক (ফরম্যাট, সাউন্ড লেভেল) অর্ডারের সময়ই পাঠান — সেই মতো এক্সপোর্ট করি, না জানালে সোশ্যাল-মিডিয়ার স্পেকে যায়।


